সড়কে চলাচলে বাধা দেওয়ার প্রেক্ষিতে হর্ণ বাজানোকে কেন্দ্র করে ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশনের সিনিয়র সাংবাদিক মো. রিশাদ হুদার ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে রাজধানীর ধানমন্ডি থানা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি নাজিম আহম্মেদ ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে।
এই ঘটনায় শাহবাগ থানায় দায়ের করা মামলায় নাজিম আহম্মেদকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মামলায় নাজিমের সহযোগী তানভীর, ইউসুফ, ইকবাল ও আরও ১০-১২ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে।
সাংবাদিক রিশাদ হুদা বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক কবি মুহম্মদ নূরুল হুদার ছেলে। তিনি বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরামের (বিএসআরএফ) সদস্য ও ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) স্থায়ী সদস্য।
শাহবাগ থানার পরিদর্শক (অপারেশন) কামরুজ্জামান রাতে গণমাধ্যমকে বলেন, কাঁটাবনে গাড়ির হর্ন দেয়া নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। পরে মারধরের ঘটনা ঘটে। পুলিশ একজনকে আটক করেছে।
শাহবাগ থানায় দায়ের করা মামলা থেকে জানা যায়, বিকাল ৪টার দিকে কাঁটাবন এলাকায় মোটরসাইকেলের হর্ন দেয়াকে কেন্দ্র করে হামলার ঘটনা ঘটে।
রিশাদের এক সহকর্মী জানান, বিকালে কাঁটাবন থেকে শাহবাগের দিকে আসছিলেন রিশাদ। তার সামনে একটি ব্যক্তিগত গাড়ি ছিল। হর্ন দিয়ে ওই গাড়িটিকে পেছনে ফেলে সামনে এগিয়ে যেতেই রিশাদকে গালাগাল করেন চালক। এ নিয়ে তাদের মধ্যে তর্ক হয়। একপর্যায়ে গাড়িতে থাকা তিন–চারজন রিশাদকে মারধর করে। সেখানে উপস্থিত লোকজন এগিয়ে এসে রিশাদকে রক্ষা করেন।
তিনি জানান, কাঁটাবন থেকে রিশাদ মোটরসাইকেলে করে শাহবাগে আসার পর আবারও তার ওপর হামলা চালানো হয়। রিশাদের পরিচয় পেয়ে সাবেক ছাত্রলীগ নেতা নাজিম আহমেদ সমঝোতা করতে আজিজ সুপার মার্কেটে নিয়ে যান। সেখানে একটি কক্ষে আলোচনার সময় বাইরে থেকে কয়েকজন এসে তার ওপর আবারও হামলা চালায়।
পুলিশ ঘটনাস্থলে আসার পর এক পুলিশকেও আহত করে তারা। পরে সহকর্মীরা ঘটনাস্থলে এসে রিশাদকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে শাহবাগ থানায় আসেন রিশাদ।পরে রাতে শাহবাগ থানায় মামলা দায়ের করা হয়। / ভোকা, বাভি