রাজধানীর নয়াপল্টনে ছাত্রদল-পুলিশ সংঘর্ষের ঘটনায় ছাত্রদলের ১০ জন আহত এবং ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সদস্য সচিব রফিকুল আলম মজনু সহ ২০ জনের মতো নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। রোববার সন্ধ্যায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনার পরপরই পুলিশ বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নেন।
বিএনপি কার্যালয়ের ভিতরে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সালাম আজাদ, যুবদলের সভাপতি সাইফুল আলম নীরব, সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু, সিনিয়র সহ সভাপতি মোরতাজুল করিম বাদরু, সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন হাসান, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক নুরুল ইসলাম নয়ন, স্বেচ্ছাসেবক দলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদির ভূইয়া জুয়েলসহ বিভিন্ন পর্যায়ের দুই শতাধিক নেতাকর্মী রয়েছে।
নেতাকর্মীরা জানান, রাজধানীর রূপনগর এলাকায় ছাত্রদলের কর্মীসভায় পুলিশী বাধা ও হামলার ঘটনায় সংগঠনের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফ মাহমুদ জুয়েলসহ বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হওয়ার প্রতিবাদে নয়াপল্টনে ছাত্রদল নেতাকর্মীরা মিছিল বের করেন। এতে পুলিশ বাধা দিলে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।