একাত্তরের ১৩ জুন হবিগঞ্জের বলুয়া গ্রামের শাহ ফিরোজ আলিকে নিজ বাড়ি থেকে সোলেমান রাজাকারের নেতৃত্বে কায়সার বাহিনীর সদস্যরা ধরে নিয়ে যায়। তারপর হবিগঞ্জ থানায় পাকিস্তানি সৈন্যদের হাতে তুলে দেয় সে সময়ের রাজাকার কমান্ডার সৈয়দ মোহাম্মদ কায়সার। ফিরোজ আলিকে এরপর হত্যা করা হয় তারপর তার মরদেহ আর খুঁজে পায়নি পরিবারের সদস্যরা।
শহীদ ফিরোজ আলির সন্তান শাহ হাসান আলি রোববার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দেয়ার সময় এসব তথ্য তুলে ধরেন।
বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ হাসান তার জবানবন্দিতে আরো বলেন, কায়সার গং তার ভাই মুক্তিযোদ্ধা হোসেন আলিকেও বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে যায়। তারপর শায়েস্তাগঞ্জে পাকিস্তানী বাহিনীর টর্চার সেলে হোসেনের উপর অমানুষিক নির্যাতন করা হয়। নির্যাতনের ফলে হোসেনের বাম পা কেটে ফেলতে হয়। পঙ্গুত্ব বরণ করে বর্তমানে হোসেন আলি মানবেতর জীবন যাপন করছেন।
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় অভিযুক্ত সাবেক মন্ত্রী ও জাতীয় পার্টির নেতা সৈয়দ মোহাম্মদ কায়সারের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের সপ্তম সাক্ষী হিসেবে শাহ হাসান আলী এ জবানবন্দি দেন। আর মামলার পরবর্তী শুনানি সোমবার অনুষ্ঠিত হবে।