মেজর জেনারেল এম এ মঞ্জুর হত্যা মামলায় তিন মাসের সময় চেয়ে আবেদন করেছেন তদন্ত কর্মকর্তা। মঙ্গলবার ঢাকার প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ খন্দকার হাসান মাহমুদ ফিরোজের আদালতে এ আবেদন করা হয়। ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের পাশে স্থাপিত বিশেষ এজলাসে এ মামলার বিচার চলছে।
মামলায় অধিকতর তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আজ (মঙ্গলবার) দিন ধার্য ছিল।
মামলার রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি আসাদুজ্জামান খান সাংবাদিকদের বলেন, তদন্ত শেষ না হওয়ায় পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) কর্মকর্তা আব্দুল কাহার আকন্দ সময় চেয়ে আবেদন করেছেন। সময়ের আবেদনে বলা হয়, মঞ্জুরের স্ত্রী ও সন্তান কে কোথায় কীভাবে আছেন, তা শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। আগের তদন্তে কোথায় কোথায় ত্রুটি আছে, তা চিহ্নিত করার চেষ্টা চলছে। এ জন্য সময়ের প্রয়োজন।
মামলার অভিযোগপত্র বলা আছে, ১৯৮১ সালে তত্কালীন সেনাপ্রধান এরশাদের পরিকল্পনা ও নির্দেশে মুক্তিযোদ্ধা সেনা কর্মকর্তা মেজর জেনারেল এম এ মঞ্জুরকে হত্যা করা হয়। এ ঘটনার ১৪ বছর পর ১৯৯৫ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি মঞ্জুরের ভাই আইনজীবী আবুল মনসুর আহমেদ চট্টগ্রামের পাঁচলাইশ থানায় মামলা করেন। ওই বছরের ২৭ জুন এরশাদসহ পাঁচ জনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র দেয় সিআইডি। অভিযোগপত্রভুক্ত বাকি আসামিরা হলেন: মেজর জেনারেল (অব.) আবদুল লতিফ, মেজর কাজী এমদাদুল হক, লে. কর্নেল শামসুর রহমান শামস ও লে. কর্নেল মোস্তফা কামাল উদ্দিন। ব্রিগেডিয়ার আজিজ ও নায়েক সুবেদার আবদুল মালেক মারা যাওয়ায় অভিযোগপত্রে তাদের আসামি করা হয়নি।