খুলনা প্রিন্টিং অ্যান্ড প্যাকেজিং লিমিটেডের (কেপিপিএল) প্রাথমিক গণপ্রস্তাব বা আইপিওর চাঁদা গ্রহণ স্থগিতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। একই সঙ্গে চাঁদা আদায়ের ব্যাপারে কেন ব্যবস্থা নেয়া হবে না—এ মর্মেও রুল জারি করেছে আদালত।
বুধবার বিচারপতি মির্জা হোসেইন হায়দার ও বিচারপতি মুহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকারের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ নির্দেশ দিয়েছে।
এর আগে আইনজীবী রায়হানুল মোস্তফা আদালতে এ-সংক্রান্ত একটি রিট আবেদন করেন।
আবেদনকারীর আইনজীবী জিয়াউর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, আবেদনের শুনানি শেষে দুই সপ্তাহের জন্য কেপিপিএলের আইপিওর চাঁদা গ্রহণ স্থগিতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। জিয়াউর রহমান বলেন, সাধারণ বিনিয়োগকারীদের স্বার্থের কথা চিন্তা করে সংবাদপত্রে প্রকাশিত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে রিট আবেদনটি করা হয়।
গত ৩০ এপ্রিল দৈনিক প্রথম আলোতে কোম্পানিটির আইপিও নিয়ে ‘মিথ্যা তথ্যে ৪০ কোটি টাকা তোলার প্রস্তাব’ শীর্ষক একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। কিন্তু পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) এ ব্যাপারে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। এমনকি বিষয়টি খতিয়ে দেখতে কোনো তদন্তেরও উদ্যোগ নেয়নি কমিশন। ফলে গত রোববার পূর্বনির্ধারিত সময় অনুযায়ী কোম্পানিটির আইপিওর চাঁদা সংগ্রহ শুরু হয়।
বৃহস্পতিবার এই চাঁদা গ্রহণ শেষ হওয়ার কথা ছিল। এ পরিস্থিতিতে আদালত কোম্পানির চাঁদা সংগ্রহের ওপর স্থগিতাদেশ আরোপ করেছে।