পুলিশের বিশেষ শাখার পরিদর্শক মাহফুজুর রহমান ও তার স্ত্রী স্বপ্না রহমান হত্যা মামলায় তাদের গৃহপরিচারিকা খাদিজা আক্তার সুমিকে জামিন দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার ঢাকার মহানগর প্রথম অতিরিক্ত দায়রা জজ ও কিশোর অপরাধ আদালতের বিচারক জাকিয়া পারভিন এ আদেশ দেন।
এছাড়া সুমির বিরুদ্ধে পুলিশ দম্পতিকে হত্যায় সহযোগিতার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দিয়েছেন আদালত। মামলায় আগামী ১৬ জুন রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষগ্রহণের দিন ধার্য করা হয়েছে।
এর আগে গত ৬ মে তাদের মেয়ে ঐশী রহমানসহ তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর নির্দেশ দেয় আদালত। আগামী ৫ জুন সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ধার্য করা হয়। অভিযুক্ত অন্যরা হলো ঐশীর বন্ধু আসাদুজ্জামান ও মিজানুর রহমান।
ওইদিন দম্পতির বাসার কাজের মেয়ে খাদিজা আক্তার সুমি অপ্রাপ্ত বয়স্ক হওয়ায় কিশোর আদালতে বিচারের জন্য নথিটি ঢাকার প্রথম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতে পাঠিয়ে দেন। একইসঙ্গে সুমির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য ২০ মে মঙ্গলবার দিন ধার্য করেন।
গত ৯ মার্চ মহানগর গোয়েন্দা ও অপরাধ তথ্য বিভাগের (পূর্ব) পরিদর্শক মো. আবুয়াল খায়ের মাতুব্বর আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে পৃথক দুটি অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
অভিযোগপত্রের একটিতে ঐশী, জনি ও রনিকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। কাজের মেয়ে সুমি অপ্রাপ্ত বয়স্ক হওয়ায় তার বিরুদ্ধে আরেকটি অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়।
প্রসঙ্গত, ২০১৩ সালের ১৬ আগস্ট রাজধানীর মালিবাগের চামেলীবাগে নিজেদের বাসা থেকে পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চের (পলিটিক্যাল শাখা) পরিদর্শক (ইন্সপেক্টর) মাহফুজুর রহমান ও তার স্ত্রী স্বপ্না রহমানের ক্ষতবিক্ষত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এরপর দিন তাদের মেয়ে ঐশী রহমান রমনা থানায় নিজেই আত্মসমর্পণ করেন।