জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার কার্যক্রম স্থগিত ও বিচারক নিয়োগ প্রক্রিয়ার বৈধতা নিয়ে করা রিট আবেদনের ওপর বিভক্ত আদেশ দিয়েছে হাইকোর্ট একটি বেঞ্চ। রোববার বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি কাজী মো. ইজারুল হক আকন্দের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের বেঞ্চ এ বিভক্ত আদেশ দেন।
বেঞ্চের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি ফারাহ মাহবুব মামলার কার্যক্রম ৩ মাসের স্থগিতের পাশাপাশি রুল দেন। অপর বিচারপতি কাজী মো. ইজারুল হক আকন্দ রিট আবেদনটি খারিজ করে দিয়েছেন।
আইনজীবীরা সাংবাদিকদের বলেন, এখন বিষয়টি প্রধান বিচারপতির কাছে যাবে। প্রধান বিচারপতি অপর কোনো বেঞ্চে বিষয়টি নিষ্পত্তির জন্য পাঠাবেন।
দুই দিনের শুনানির পর ২৫ মে আদেশের তারিখ ধার্য করে আদালত। রোববার মধ্যাহ্ন বিরতির পর আদালত এ আদেশ দেয়।
এ সময় আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল আমাতুল করিম, দুদকের পক্ষে খুরশীদ আলম খান উপস্থিত ছিলেন। আর রিটের পক্ষে ছিলেন এজে মোহাম্মদ আলী ও মো. আসাদুজ্জামান।
এছাড়া, বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার পক্ষে আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন, জয়নুল আবেদীন, মাহবুব উদ্দিন খোকন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত ১৯ মার্চ এ দুই মামলায় খালেদা জিয়া ও তার বড় ছেলে তারেক রহমানসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৩ ৷ এ অভিযোগ গঠনের আদেশ বাতিল চেয়ে খালেদা জিয়ার করা আবেদন গত ২৩ এপ্রিল খারিজ করেন হাইকোর্ট।
এ ২টি মামলায় বিচারক নিয়োগ প্রক্রিয়ার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ১২ মে রিট করেন খালেদা জিয়া।
এ দুই মামলার বিচারকাজ চলছিল ঢাকা মহানগর দায়ারা জজ আদালত ভবনে স্থাপিত বিশেষ জজ আদালত-৩-এ৷ এ দুই মামলায় ২১ মে সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য রয়েছে। ৭ মে আইন মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মামলা ২টির বিচারকাজ পরিচালিত হবে বকশীবাজারে আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে স্থাপিত বিশেষ জজ আদালত-৩ এর অস্থায়ী এজলাসে৷