নারায়ণগঞ্জে কাউন্সিলর নজরুল ইসলামসহ সাত হত্যাকাণ্ডের ঘটনার মামলার শুক্রবার প্রথম দফা রিমান্ড শেষে র্যাবের সাবেক কর্মকর্তা লে. কর্নেল সাইদ তারেক ও মেজর আরিফকে আদালতে হাজির করে পুলিশ দ্বিতীয় দফায় ৭ দিনের রিমান্ড চাইলে আদালত ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে।
তবে আদালতে সাঈদ তারেক দাবি করেন, এই ঘটনায় তিনি জড়িত নন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মামুনুর রশিদ আদালতকে জানান, প্রধান আসামি নুর হোসেনের কাছ থেকে টাকা নিয়ে এ দুই কর্মকর্তা ৭ জনকে খুন করেছেন। এমন সাক্ষ্য-প্রমাণ তাদের হাতে রয়েছে।
নজরুল ইসলামসহ সাত জনকে অপহরণ করে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে র্যাবের সাবেক দুই কর্মকর্তা সরাসরি জড়িত ছিলেন। এছাড়া, তাদেরকে দিয়ে অর্থের বিনিময়ে এ খুন করিয়েছেন আরেক কাউন্সিলর নুর হোসেন। র্যাবের সাবেক কর্মকর্তা লেফট্যানেন্ট কর্নেল সাঈদ তারেক ও মেজর আরিফকে আরেক দফা রিমান্ডের আবেদনে আদালতকে এসব তথ্য জানান মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মামুনুর রশিদ।
অভিযুক্তদের পক্ষে কোনো আইনজীবী না থাকায় লে.কর্নেল সাইদ নিজেই আদালত কথা বলেন। তিনি বলেন, তারা পারিবারিকভাবে অনেক সম্পদশালী। ফলে তার বিরুদ্ধে টাকার বিনিময়ে হত্যার যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা সঠিক নয় বলেও জানান তদন্ত কর্মকর্তা মামুনুর রশিদ।
আদালত শুনানী শেষে দুই জনের আলাদাভাবে ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে।