র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র্যাব) চাকুরিচ্যুত দুই কর্মকর্তার স্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্দিতে এটা স্পষ্ট যে, নারায়ণগঞ্জের কাউন্সিলর নজরুল ইসলামসহ সাত জনকে অপহরণ করে খুন ও মরদেহ গুমের জন্য নদীতে ফেলার অভিযানে র্যাবের শীর্ষ কর্মকর্তাদের অনুমোদনেই হয়েছে।
চাকুরিচ্যুত র্যাব কর্মকর্তা এমএম রানা জবানবন্দিতে বলেন, তিন পর্বের এ ঘটনা প্রবাহে তিনিসহ র্যাবের প্রায় ২৭ জন সদস্য বিভিন্ন পর্যায়ে অংশ নেন। র্যাবের ওই শীর্ষ কর্মকর্তাসহ জড়িত সবাইকে আইনের আওতায় আনার দাবি তুলেছেন বাদীপক্ষের আইনজীবীরা।
নারায়ণগঞ্জে কাউন্সিলর নজরুল ইসলামসহ সাত জনকে অপহরণ করে খুন ও লাশ গুমের ঘটনায় গত বুধ ও বৃহস্পতিবার র্যাবের চাকুরিচ্যুত দুই কর্মকর্তা মেজর আরিফ হোসেন ও লে.কমান্ডার এমএম রানা আদালত ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
রানার ভাষ্য প্রথমে তিনি শুধু অপহরণের দায়িত্ব থাকলেও পরে মেজর আরিফের সঙ্গে কিলিং মিশনেও অংশ নিয়েছেন। তাদের উভয়ের বক্তব্য, র্যাবের এক শীর্ষ কর্মকর্তার অনুমোদনেই পুরো ঘটনা ঘটেছে।
ওই শীর্ষ কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে এজাহারভুক্ত আসামি নুর হোসেনসহ ঘটনার মুল পরিকল্পনাকারী কে বা তারা জানা যাবে বলে মনে করেন বাদীপক্ষের আইনজীবী সাখাওয়াত আলি খান।
এছাড়া, ঘটনার মোটিভ সুনিশ্চিতের জন্য পলাতক ছয় আসামিকেও গ্রেপ্তারে আরো উদ্যোগী হওয়ার জন্য পুলিশের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।