ফরিদপুরে মধুখালীতে চাঞ্চল্যকর চাঁপা রানী হত্যা মামলার প্রধান আসামি দেবাশীষ সাহা রনিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। সোমবার ফরিদপুরের জেলা ও দায়রা জজ মো. আনোয়ারুল হক এ রায় ঘোষণা করেন।
এ মামলার অপর দুই আসামি সঞ্জয় বিশ্বাস ও মো. আলমগীর হোসেনের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদের খালাস দিয়েছেন আদালত।
মেয়েকে উত্ত্যক্ত করার প্রতিবাদ করায় ২০১০ সালের ২৬ অক্টোবর চাঁপা রানী ভৌমিককে মোটরসাইকেলে চাপা দেন বখাটে দেবাশীষ সাহা রনি। ফরিদপুর চিনিকলের কর্মচারী চাঁপা রানী ওইদিন বিকেলে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা যান।
ঘটনার পরদিন রনিকে আসামি করে মধুখালী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন তার ভাই অরুণ ভৌমিক। ৩১ অক্টোবর ঝিনাইদহ শহরের আরবপুর বাসস্ট্যান্ড থেকে রনিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, চাঁপা রানীর মেয়ে সে সময় ফরিদপুর চিনিকল উচ্চ বিদ্যালয়ে ১০ম শ্রেণীতে পড়তো। বিভিন্ন সময় তাকে উত্ত্যক্ত করতো রনি।
চাঁপারানী এ ব্যাপারে স্থানীয় সামাজিক দায়িত্বশীল ব্যক্তিবর্গের কাছে বিচার চাওয়ায় ক্ষুব্ধ হয় রনি। এক পর্যায়ে ২০১০ সালের ২৬ অক্টোবর চাঁপারানীকে মোটরসাইকেল চাপা দিয়ে হত্যা করে রনি।
এর পরদিন চাঁপারানীর ভাই অরুণ কুমার ভৌমিক বাদী হয়ে মধুখালী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।