সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় টিলা কাটা ও পুকুর ভরাটের কাজের ওপর স্থিতাবস্থা বজায় রাখতে নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। বুধবার বিচারপতি সালমা মাসুদ চৌধুরী ও বিচারপতি জাফর আহমদের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের বেঞ্চ এক রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে রুলসহ এ আদেশ দেন।
এর ফলে টিলাও কাটা যাবে না এবং পুকুরও ভরাট করা যাবে না বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা।
গত ২ জুন ‘টিলা কেটে পুকুর ভরাট’ শিরোনামে দৈনিক প্রথম আলোতে একটি প্রতিবেদন ছাপা হয়। ওই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের পক্ষে দুই আইনজীবী রিট আবেদনটি করেন। আদালতে রিটের ওপর শুনানি করেন আইনজীবী মনজিল মোরসেদ।
রুলে সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় টিলা কাটা ও পুকুর ভরাট বন্ধে প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তা কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ওই এলাকায় টিলা কাটা ও পুকুর ভরাট বন্ধে কেন নির্দেশ দেয়া হবে না, তা-ও জানতে চাওয়া হয়েছে।
পরিবেশ সচিব, পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, সিটি করপোরেশন, জেলা প্রশাসক, পুলিশ কমিশনার, বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারসহ বিবাদীদের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
সাংবাদিকদের মনজিল মোরসেদ বলেন, বিল্ডিং কনস্ট্রাকশন অ্যাক্ট ১৯৫২ এবং পরিবেশ আইন ১৯৯৫ ও জলাধার সংরক্ষণ আইন ২০০০ অনুসারে টিলা কাটা ও পুকুর ভরাট নিষিদ্ধ। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তা অনুসরণ না করে টিলা কাটছে ও পুকুর ভরাট করে চলেছে, যা বেআইনি।