নারায়ণগঞ্জে ৭ খুনের ঘটনায় অবশেষে স্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্দি দিয়েছেন (র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন) র্যাব-১১ এর সাবেক কমান্ডার ও চাকরিচ্যুত কর্মকর্তা লেফট্যানেন্ট কর্নেল সাঈদ মোহাম্মদ তারেক। জবানবন্দি শেষে আদালত তাকে কারাগারে পাঠায়।
বুধবার সিনিয়র জুডিশিয়াল মেজিষ্ট্রেট কেএম মহিউদ্দিন তার জবান্দবন্দি রেকর্ড করেন।
সকালে কড়া গোপনীয়তায় তাকে আদালতে আনা হয়। জবানবন্দি দেয়ার আগে তাকে ভাবার জন্য তিন ঘণ্টা সময় দেয় আদালত। পরে চার ঘণ্টা ধরে তার জবানবন্দি রেকর্ড করেন সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট কেএম মহিউদ্দিন।
সাইদ ২টি মামলায় আলাদাভাবে জবানবন্দি দেন। জানা গেছে, তার দেয়া জবানবন্দির সঙ্গে এর আগে দেয়া মেজর আরিফ ও লে. কমান্ডার এমএম রানার জবানবন্দির খুব বেশি অমিল নেই।
এর আগে গ্রেপ্তার হওয়া র্যাবের চাকরিচ্যুত আরো দুই কর্মকর্তাও স্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্দি দিয়ে ছিলেন।
এদিকে, নারায়ণগঞ্জের প্যানেল মেয়র নজরুল ইসলাম ও অ্যাডভোকেট চন্দন সরকারসহ সাত জনকে অপহরণ করে খুনের মামলায় ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিলেন র্যাব-১১ সাবেক কমান্ডার সাইদ মোহাম্মদ তারেক।
প্রথমে ৫৪ ধারায় ও পরে দুটি হত্যা মামলায় ৬ দফায় ৩২ দিন রিমান্ডে ছিলেন তিনি।