শীতলক্ষ্যা নদীর অভ্যন্তরে জেটি সরাতে দেয়া রায়ের পুনর্বিবেচনা চেয়ে পৃথক পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের করা আবেদন খারিজ করে দিয়েছে আপিল বিভাগ। ফলে নদীর অভ্যন্তরে জেটি অপসারণে বাধা থাকল না। সোমবার বিচারপতি মো. মোজাম্মেল হোসেনের নেতৃত্বাধীন পাঁচ বিচারপতির বেঞ্চ এ আদেশ দিয়েছে।
ওই পাঁচটি প্রতিষ্ঠান হলো সিটি গ্রুপ, কামাল ভেজিটেবল, মোল্লা সল্ট, হাইডেলবার্গ সিমেন্ট ও সিমেক্স সিমেন্ট।
আদালতে পাঁচ আবেদনকারীর পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মাহমুদুল ইসলাম ও সৈয়দ আমিরুল ইসলাম। রিটের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মনজিল মোরসেদ।
২০০৯ সালের ২৬ জুন চার নদী রক্ষায় পাঁচ প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ বাংলাদেশের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্ট রায় দেয়। ওই রায়ের পর শীতলক্ষ্যার অভ্যন্তরে নির্মাণ করা জেটি অপসারণে জন্য জেলা প্রশাসন ওই পাঁচ প্রতিষ্ঠানকে উচ্ছেদের নোটিশ দেয়। নোটিশের বিরুদ্ধে পাঁচ প্রতিষ্ঠান হাইকোর্টে আবেদন করে।
২০১০ সালে ২১ মার্চ তা খারিজ হয় আদালত। এ আদেশের বিরুদ্ধে পাঁচ প্রতিষ্ঠান আপিল বিভাগে আপিল করলে ওই বছরেরই ৩ মে তা খারিজ হয়।
এ আদেশের বিরুদ্ধে পাঁচ প্রতিষ্ঠান পুনর্বিবেচনার আবেদন করে। আবারো আদালত তা খারিজ করে সোমবার এ আদেশ দিয়েছে।