নারায়ণগঞ্জের তানভীর মুহাম্মদ ত্বকী হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সন্দেহভাজন হিসেবে গ্রেপ্তার সালেহ রহমান সীমান্তের জামিন স্থগিতের আদেশ দিয়েছে আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ।
মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি মো. মোজাম্মেল হোসেনের নেতৃত্বে আপিল বিভাগের ৫ বিচারপতির সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন। জামিন স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষের করা আবেদন নিষ্পত্তি করে দিয়ে আপিল বিভাগ স্থগিতাদেশ চলমান থাকবে বলেও জানিয়েছে বেঞ্চ।
আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের হয়ে শুনানিতে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. সোহরাওয়ার্দী বলেন, আপিল বিভাগ সীমান্তের জামিন স্থগিতের আদেশ বহাল রেখেছেন। এতে তাকে কারাগারেই থাকতে হবে।
এদিকে, হাইকোর্টের একটি দ্বৈত বেঞ্চ গত ২৪ জুন সীমান্তের অন্তর্বর্তীকালীন জামিন মঞ্জুর করে। পরে স্থগিতাদেশ চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষের করা এক আবেদনের শুনানি নিয়ে গত ১ জুলাই সীমান্তের জামিন স্থগিতের আদেশ দেন চেম্বার বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী।
উল্লেখ্য, নারায়ণগঞ্জের নাগরিক ও সাংস্কৃতিক আন্দোলনের নেতা রফিউর রাব্বির বড় ছেলে তানভীর মুহাম্মদ ত্বকী ২০১৩ সালের ৬ মার্চ নিখোঁজ হন। দুই দিন পর ৮ মার্চ সকালে নারায়ণগঞ্জের চারারগোপে শীতলক্ষ্যার নৌযান নোঙর করার খালের (হারবার) কাদাপানিতে তার মরদেহ পাওয়া যায়। ওই দিনই ত্বকীর বাবা মামলা করেন। এতে কারো নাম উল্লেখ করা হয়নি।
পরে তিনি স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতা শামীম ওসমানসহ ৭ জনের নাম উল্লেখ করে ২০১৩ সালের ১৮ মার্চ পুলিশের কাছে অবগতিপত্র জমা দেন। এতে সালেহ রহমান ওরফে সীমান্তের নাম ছিল। ওই বছরের ১৮ এপ্রিল সীমান্তকে গ্রেপ্তার করা হয়।