লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলায় স্কুলছাত্রী সীমা হত্যা মামলায় ১০ জনের ফাঁসির ও ১৪ জনকে খালাস দিয়ে রায় ঘোষণা করেছে আদালত।
মঙ্গলবার দুপুরে জেলার নারী ও শিশু নির্যাতন বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক মঞ্জুরুল বাছিদ এ রায় ঘোষণা করেন।
ফাঁসির দণ্ড প্রাপ্ত আসামিরা হলো: মানিক হোসেন, সাদ্দাম হোসেন, সুমন, সোহেল, রাশেদুল ইসলাম, হীরণ, নুর আলম, নুর নবী, চৌকিদার হেদায়েত উল্যা ও আনোয়ার হোসেন। তাদের মধ্যে প্রথম পাঁচ জন পলাতক রয়েছে।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, ২০১২ সালের ১৮ জুলাই সদর উপজেলার চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নের বসুদৌহিতা গ্রামের লক্ষ্মণচন্দ্র দেবনাথের ঘরে ২০-২৫ জন মুখোশধারী ডাকাত দল হানা দেয়। তারা ঘরের সবাইকে জিম্মি করে স্বর্ণালংকার, নগদ অর্থসহ পাঁচ লাখ টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। একই সময় লক্ষ্মণের মেয়ে সীমা রানী দেবনাথকে ঘরের একটি কক্ষে আটকে গণধর্ষণ ও শ্বাসরোধ করে হত্যা করে ডাকাত দল। প্রতাবগঞ্জ উচ্চবিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী ছিল সীমা।
এ ঘটনায় পরের দিন সীমার দাদা কৃষ্ণচন্দ্র দেবনাথ বাদী হয়ে লক্ষ্মীপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এতে অজ্ঞাত ২০-২৫ জনকে আসামি করা হয়।
দীর্ঘ তদন্ত শেষে ২০১৩ সালের ২৫ মার্চ ২৫ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ। শুনানি শেষে নারী ও শিশু নির্যাতন বিশেষ ট্রাইব্যুনাল আজ (মঙ্গলবার) রায় ঘোষণা করে।
রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন পরিবারের সদস্যরা। তবে নিরাপত্তা নিয়ে তারা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।