বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে নিহত কিশোরী ফেলানী হত্যা মামলার পুনঃবিচারের কাজ বুধবার ৩য় দিনের মতো শেষ হয়েছে।
সকালে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহারে বিএসএফ সদরদপ্তরে স্থাপিত বিশেষ আদালতে এ বিচারকাজ শুরু হয়।
তবে ফেলানী হত্যার প্রত্যক্ষ সাক্ষী পিতা নুর ইসলাম, মামা আব্দুল হানিফসহ ৪ সদস্যের প্রতিনিধিদলকে বিএসএফের পক্ষ থেকে প্রস্তুত থাকতে বলা হলেও এখনো তাদের শুনানির দিন ঠিক করা হয়নি—জানিয়েছেন কুড়িগ্রাম ৪৫ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ-বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোফাজ্জল হোসেন আকন্দ।
বিগত ২০১১ সালের ৭ জানুয়ারি সীমান্তের কাঁটাতার বেয়ে ভারত থেকে বাংলাদেশে ফেরার পথে বিএসএফের গুলিতে নির্মমভাবে নিহত হয় কিশোরী ফেলানী।
আর ২০১৩ সালের ৬ সেপ্টেম্বর এ হত্যা মামলার একমাত্র আসামি বিএসএফ সদস্য অমীয় ঘোষকে বেকসুর খালাস দেয়।
পরে ফেলানীর বাবা মামলার পুনঃবিচারের আবেদন করেন।