সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী আইন-২০১৪ এর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে। বুধবার সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ড. ইউনুস আলী আকন্দ এ রিট দায়ের করেন।
আগামী ১৯ অক্টোবর হাইকোর্টে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে বলে জানা গেছে।
রিটে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, আইন সচিব, জাতীয় সংসদ সচিব ও নির্বাচন কমিশনকে বিবাদী করা হয়েছে।
ষোড়শ সংশোধনী সংবিধানের সঙ্গে কেন সাংঘর্ষিক নয় তা জানতে চাওয়া হয়েছে রুলে।
ইউনুস আলী সাংবাদিকদের বলেন, কোনো ব্যক্তির সাংসদ হওয়ার জন্য নির্দিষ্ট কোনো শিক্ষাগত যোগ্যতা সংবিধানে নির্ধারিত নেই, অথচ সুপ্রিম কোর্টের বিচারক হওয়ার জন্য কমপক্ষে ১০ বছর আইনজীবী বা বিচারক হিসেবে কাজ করার অভিজ্ঞতা থাকতে হয়। তাই কোনো শিক্ষাগত যোগ্যতা না থাকা একজন সাংসদের হাতে তার চেয়ে বেশি শিক্ষাগত যোগ্যতা সম্পন্ন সুপ্রিম কোর্টের একজন বিচারককে অভিশংসনের ক্ষমতা দেয়া যেতে পারে না।
তিনি আরো বলেন, বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ সম্পর্কীত উচ্চ আদালতের রায় অনুযায়ী বিচার বিভাগ সম্পূর্ণ স্বাধীন। এটি সরকারের কোনো অঙ্গ প্রতিষ্ঠান দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হতে পারে না। তাই সংসদের হাতে বিচারকদের অভিশংসনের ক্ষমতা দেওয়া হলে বিচার বিভাগের সেই স্বাধীনতা ক্ষুণ্ণ হতে পারে।
প্রসঙ্গত: গত ১৭ সেপ্টেম্বর সংসদে পাস হয় ষোড়শ সংবিধান (সংশোধন) বিল। রাষ্ট্রপতি বিলটিতে সম্মতি দেয়ার পর ২২ সেপ্টেম্বর এটি গ্যাজেট আকারে প্রকাশ হয়। তাতে সুপ্রিম কোর্টের বিচারকদের অভিশংসনের ক্ষমতা সংসদের হাতে ন্যস্ত করা হয়েছে।