মানবতাবিরোধী অপরাধে জামাত নেতা মীর কাসেম আলীর মামলার রায়ের জন্য আগামী রোববার ট্রাইব্যুনালের কার্য তালিকায় রাখা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ রায়ের দিন নির্ধারণ করেছে।
এর আগে ৪ মে বিচার শেষে মীর কাশেম আলীর মামলার সর্বশেষ ধাপ যুক্তিতর্ক (আর্গুমেন্ট) উপস্থাপন শেষ হওয়ায় মামলাটির রায় অপেক্ষমান (সিএভি) রেখে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২।
আদালতে মীর কাশেমের পক্ষে চূড়ান্ত যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন ব্যারিস্টার তানভীর আল আমিন। আর প্রসিকিউশনের পক্ষে সমাপনী বক্তব্য উপস্থাপন করেন ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ।
উভয়পক্ষের সমাপনী যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে ট্রাইব্যুনাল মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমান রাখে।
মীর কাসেম কাশেম আলীর বিরুদ্ধে মামলায় হত্যা, গণহত্যা, নারী নির্যাতন, অগ্নিসংযোগ, লুণ্ঠনসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের ১৪টি সুনির্দিষ্ট অভিযোগ আনা হয়েছে।
২০১২ সালের ১৭ জুন মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগে মীর কাশেম আলীর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে ট্রাইব্যুনাল। একই দিন দৈনিক নয়া দিগন্ত কার্যালয় থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গত বছরের ১৬ মে তার বিরুদ্ধে ১৪টি অভিযোগের আনুষ্ঠানিক অভিযোগপত্র ট্রাইব্যুনালে দাখিল করা হয়। এর মধ্যে ১১ ও ১২ নম্বর ছাড়া অন্যসব অভিযোগে আটক করে নির্যাতনের বর্ণনা রয়েছে। একই বছরের ৫ সেপ্টেম্বর তার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১।
পরবর্তীতে গত বছরের ১ অক্টোবর মীর কাশেম আলীর মামলাটি ট্রাইব্যুনাল-১ থেকে ট্রাইব্যুনাল-২ এ স্থানান্তর করা হয়।