রাজধানীর বুড়িগঙ্গা নদীর তীর দখল করে শ্যামবাজার, ওয়াইজ ঘাট ও বাদামতলী ঘাট এলাকায় নির্মিত সকল স্থাপনা ৭২ ঘণ্টার মধ্যে উচ্ছেদের নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট।
রোববার জনস্বার্থে দায়ের করা এক আবেদনের শুনানি নিয়ে রুলসহ এ আদেশ দেন বিচারপতি মঈনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি মো.আশরাফুল কামাল সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ।
ঢাকা জেলা প্রশাসক, পুলিশ কমিশনার, পরিবেশ অধিদপ্তারের পরিচালকসহ সংশ্লিষ্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) এ নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
এ ছাড়া বুড়িগঙ্গা নদী তীরবর্তী অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে প্রতি তিন মাস পর পর মোবাইল কোর্ট পরিচালনা এবং এ বিষয়ে আদালতে একটি প্রতিবেদন দাখিলের জন্যও বলা হয়েছে।
রুলে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে কেন নির্দেশ দেয়া হবে না- তা জানতে চাওয়া হয়েছে। আগামী ৯ ডিসেম্বরের মধ্যে ঢাকা জেলা প্রশাসক ও পুলিশ কমিশনারসহ রিটের বিবাদীদের এ রুলের জবাব দিতে হবে।
জনস্বার্থে মানবাধিকার ও পরিবেশবাদী সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের পক্ষে রোববার হাইকোর্টে বুড়িগঙ্গা নদী তীরবর্তী স্থাপনা উচ্ছেদের নির্দেশনা চেয়ে আবেদনটি করা হয়। আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোতাহার হোসেন সাজু।
আদেশের পর মনজিল মোরসেদ সাংবাদিকদের বলেন, ২০০৯ সালের ২৫ জুন হাইকোর্ট বুড়িগঙ্গা, শীতলক্ষ্যা, বালু এবং তুরাগ নদী রক্ষায় রায় দিয়েছিলেন। সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে ওই রায় বহাল থাকা সত্ত্বেও বুড়িগঙ্গা নদী দখল করে স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছে। বিষয়টি উপস্থাপন করা হলে শুনানি নিয়ে স্থাপনা উচ্ছেদের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।