একটি প্রতিষ্ঠানের লাভজনক পদে থেকেও আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন কোন ক্ষমতাবলে গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী পদে রয়েছেন, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে হাইকোর্ট।
মঙ্গলবার বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি মো. আশরাফুল কামালের হাইকোর্ট বেঞ্চ এক রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে এ রুল জারি করেছে।
একইসঙ্গে মোশাররফ হোসেন যে প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত, তার বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম), নিরীক্ষা প্রতিবেদন ও কার্যপ্রণালির নথি দাখিল করতে বলেছে আদালত।
সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী জেড আই খান পান্না গত রোবাবার এ রিট আবেদন করেন। এতে বলা হয়, ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন হোটেল কোম্পানি পেনিনসুলা চিটাগাং লিমিটেডের চেয়ারম্যান হওয়ার পরও মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন যা সংবিধানের ১৪৭ অনুচ্ছেদের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।
মোশাররফ কোন কর্তৃত্ববলে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী পদে রয়েছেন- তা জানতে চাওয়ার পাশাপাশি ‘কেন তাকে মন্ত্রী পদ ছাড়তে বলা হবে না’- তাও জানতে চেয়েছে আদালত।
গত ৩১ অক্টোবর একটি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত প্রতিবেদনে চার মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর বিভিন্ন লাভজনক কোম্পানি পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত থাকার বিষয়টি তুলে ধরা হয়।
গত ৯ নভেম্বর তাকে আইনি নোটিশ পাঠান সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী জেড আই খান পান্না। নোটিশের জবাব না পাওয়ায় গত রোববার রিট করেন ওই আইনজীবী। ওই রিটের ওপর শুনানি শেষ মঙ্গলবার রুল দেয় আদালত।
মোশাররফ হোসেন, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, রেজিস্ট্রার অব জয়েন্ট স্টক কোম্পানিজ অ্যান্ড ফার্মসকে (আরজেএসসি) তিন সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী শাহদীন মালিক। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোতাহার হোসেন।