সাবেক ডাক টেলিযোগাযোগ তথ্য ও প্রযুক্তিমন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকীর সংসদ সদস্য পদ বাতিলের নির্দেশনা চেয়ে আনা একটি রিট পিটিশন হাইকোর্ট খারিজ করে দিয়েছে।
সোমবার বিচারপতি কাজী রেজাউল হক ও বিচারপতি আবু তাহের মোহাম্মাদ সাইফুর রহমান সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের একটি ডিভিশন বেঞ্চ এ আদেশ দিয়েছে।
গত ২৭ নভেম্বর বৃহস্পতিবার রিটটি দায়ের করেন সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী ড. ইউনুছ আলী আকন্দ (রিট নাম্বার ১১৯৮/১৪)। রিটে জাতীয় সংসদের স্পিকার, প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি)সহ মোট চারজনকে রিটে রেসপনডেন্ট ( প্রতিপক্ষ) করা হয়।
গত ২৮ সেপ্টেম্বর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে স্থানীয় টাঙ্গাইল সমিতি আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সাবেক ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তিমন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকী হজ, তাবলিগ জামাত বিষয়ে মন্তব্য করে বক্তব্য দেন। লতিফ সিদ্দিকীর ওই মন্তব্য ও বক্তব্য সম্বলিত ভিডিও ক্লিপ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ও গনমাধ্যমে প্রকাশ ও প্রচার হলে বিভিন্ন মহলে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়।
পরে বিষয়টি আমলে নিয়ে সরকার আবদুল লতিফ সিদ্দিকীকে মন্ত্রীপরিষদ থেকে অপসারণ করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। এছাড়াও তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নিয়েছে আওয়ামী লীগ। বিদেশে থেকে দেশে এসে গত ২৫ নভেম্বর তিনি ধানমন্ডি থানায় আত্মসমর্পন করেন। পরে পুলিশ তাকে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানার মামলায় ঢাকা মহানগর আদালতে হাজির করলে আদালত তাকে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেয়। লতিফ সিদ্দিকী বর্তমানে ঢাকা কেন্দ্রিয় কারাগারে আটক রয়েছেন।