বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমানের নামে কটূক্তি করা মামলায় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে ঢাকার সিএমএম আদালত গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে। বৃহস্পতিবার এ পরোয়না জারি করা হয়।
ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সমর্থক চার জন বৃহস্পতিবার কুমিল্লা, চট্টগ্রাম ও ঢাকার হাকিম আদালতে এসব মামলা দায়ের করা হয়।
মোস্তাফিজুর রহমান দুলাল নামের এক আইনজীবীর করা মানহানির মামলায় তারেকের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আদেশ দেন ঢাকার মহানগর হাকিম ইউনূস খান।
মামলার আর্জিতে মানহানির পাশাপাশি রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগ আনলেও এ ধরনের মামলায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন প্রয়োজন বলে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগ আদালত আমলে নেয়নি।
বাদীর অভিযোগ, গত সোমবার লন্ডনে এক অনুষ্ঠানে তারেক বঙ্গবন্ধুকে রাজাকার বলায় মানহানি হয়েছে।
ঢাকার আদালতে একই অভিযোগে আরেকটি মামলা করেন হকার্স লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুল মান্নান।
তারেকের সঙ্গে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মীর মো. নাসিরউদ্দিন, যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী ও কেন্দ্রীয় কমিটির আন্তর্জাতিক সম্পাদক মাজেদুর রহমানকেও বিবাদী করেছেন তিনি। তারাও সেদিন তারেকের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। মহানগর হাকিম মারুফ হোসেনের আদালতে এ অভিযোগের বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।
চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নুরুর আজিম রনি চট্টগ্রামের মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে আরেকটি মামলার আবেদন করেছেন, যাতে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগ আনা হয়েছে।
এদিকে, দুপুরে শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্রের কুমিল্লা জেলা শাখার সভাপতি সুবীর নন্দি বাবু বাদি হয়ে তার বিরুদ্ধে একই অভিযোগে মামলা দায়ের করেন।
কুমিল্লার অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ১ নম্বর আদালতের বিচারক সফিকুল ইসলাম মামলাটি আমলে নিয়ে আগামী ১ মার্চ সশরীরে আদালতে হাজির হওয়ার জন্য তারেক রহমানের নামে সমন জারি করেন।
এছাড়া দেশের বিভিন্নস্থানে তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
গত সোমবার লন্ডনে এক সভায় তারেক রহমান বঙ্গবন্ধুকে ‘রাজাকার’ বলে অভিহিত করে। এসময় তিনি আরো বলেন, ইয়াহিয়ার সঙ্গে বঙ্গবন্ধু সমঝোতা করেছিলেন।