আদালত

কিবরিযা হত্যা মামলা: ৪র্থ দফায় চার্জসিট দাখিল

শাহ এসএম কিবরিযা
শাহ এসএম কিবরিযা

সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এসএম কিবরিযা হত্যা মামলার সম্পূরক চার্জসিট রোববার আদালতে আবারো দাখিল করা হয়েছে।

এদিকে, চার্জসিট দাখিলকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের কর্মী সমর্থকরা মিছিলে বের করলে বিএনপির নেতাকর্মীরা তাদের ওপর হামালা চালায়। এসময় মুখোমুখি দুপক্ষের নেতা কর্মীদের সংর্ঘষে কমপক্ষে ১০ আহত হয়েছেন। আহতদের হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

দুপুরে হবিগঞ্জ জ্যেষ্ঠ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রশিদ আহমেদ মিলনের আদালতে নতুন ১১ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

কিবরিয়া হত্যা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সিআইডির সহকারি পুলিশ সুপার (এএসপি) মেহেরুন নেছা পারুল দুপুরে দুই আসামির নাম সংশোধন করে চতুর্থ দফায় সম্পূরক চার্জশিট দাখিল করেন। আগামী জানুয়ারি মাসের ৮ তারিখ এ মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ঠিক করেছে আদালত।

এ হত্যা মামলায় ৩৫জনের বিরুদ্ধে সম্পূরক চার্জসিট ৪র্থ বারের মত দাখিল করার পর আদালত তা গ্রহণ করে।

গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারিকৃতরা হলেন: বিএনপি নেতা হারিছ চৌধুরী, হবিগঞ্জের বর্তামন পৌর মেয়র ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জি,কে গউছ, সিলেটের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী, মওলানা তাজউদ্দিনের ভগ্নিপতি হুজি নেতা হাফেজ মো. ইয়াহিয়া, আবু বকর ওরফে করিম, দেলোয়ার হোসেন রিপন, শেখ ফরিদ, আবদুল জলিল ও মওলানা শেখ আবদুস সালাম।

গত ৬ ডিসেম্বর কিবরিয়া হত্যা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সিআইডির সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মেহেরুন নেছা পারুল তৃতীয় দফায় সম্পূরক চার্জশিট দাখিল করেন। ওই চার্জশিটে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সাবেক রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, সিলেট সিটি করপোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী এবং হবিগঞ্জ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও হবিগঞ্জ পৌর মেয়র জি কে গউছসহ নতুন ১১ জনের নাম অন্তর্ভুক্ত করে ৩৫ জনকে আসামি করা হয়।

হবিগঞ্জ আমলি আদালতের বিচারক রোকেয়া বেগম শুনানিকালে গত ৩ ডিসেম্বর সিলেট সিটি করপোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী ও হবিগঞ্জ মেয়র জি কে গউছের নাম-ঠিকানা ভুল থাকায় বিচারক ২১ ডিসেম্বর ঠিকানা সংশোধন করে চতুর্থ দফায় সম্পূরক চার্জশিট দাখিলের আদেশ দেন।

এর আগে ২০০৫ সালের ১৯ মার্চ প্রথম দফায় ১০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। দ্বিতীয় দফা আসামির সংখ্যা ১৬ জন বাড়িয়ে ২০১১ সালের ২০ জুন ২৬ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয়া হয়।

শাহ এ এম এস কিবরিয়া ২০০৫ সালের ২৭ জানুয়ারি হবিগঞ্জ সদর উপজেলার বৈদ্যের বাজারে ঈদ-পরবর্তী জনসভা শেষে বের হওয়ার পথে গ্রেনেড হামলার শিকার হন। গুরুতর আহত অবস্থায় চিকিৎসার জন্য ঢাকায় আনার পথে তিনি মারা যান। এ হামলায় কিবরিয়ার ভাতিজা শাহ মনজুরুল হুদা, আওয়ামী লীগের নেতা আবদুর রহিম, আবুল হোসেন ও সিদ্দিক আলী নিহত হন। মারাত্মক আহত হন শতাধিক ব্যক্তি। এ ঘটনায় হবিগঞ্জ-১ আসনের বতর্মান সাংসদ আবদুল মজিদ খান বাদী হয়ে হত্যা ও বিস্ফোরকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে দুটি মামলা করেন।

কিবরিয়া হত্যা মামলার আইনজীবী আলমগীর ভূইয়া বাবুল মামরা পরিচালনা করছেন।

মামলার আইনজীবী আলমগীর ভূইয়া বাবুল ও বাদী অ্যাডভোকেট আব্দুল মজিদ খান এমপি জানান, আদালতে দাখিলকৃত সম্পূরক চার্জসিটের আসামিদের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করায় এবং তদন্ত প্রকৃত আসামিদের নাম অন্তর্ভুক্ত করায় তারা আশা করেন এ হত্যার বিচার সঠিকভাবে হবে

দেশটিভি/আরসি
দেশ-বিদেশের সকল তাৎক্ষণিক সংবাদ, দেশ টিভির জনপ্রিয় সব নাটক ও অনুষ্ঠান দেখতে, সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল:

এছাড়াও রয়েছে

আল আমিনের তালাক: সন্তান নিয়ে আদালতে স্ত্রী

অস্ত্র মামলা: জি কে শামীমসহ ৮ জনের যাবজ্জীবন

আবেদন করলে খালেদা জিয়ার আবারো মুক্তির মেয়াদ বাড়বে: আইনমন্ত্রী

রুবেল-বরকতের অর্থপাচার মামলা ফের তদন্তের নির্দেশ আদালতের

জাহালমকে পাঁচ লাখ টাকা দিলো ব্র্যাক ব্যাংক

৮৫ নির্বাচন কর্মকর্তাকে চাকরিতে পুনর্বহালের আদেশ বাতিল

সরকারি কর্মচারীদের গ্রেপ্তারে পূর্বানুমতি বাতিলের রায় স্থগিত

ডেসটিনির চেয়ারম্যান হারুন-অর-রশিদের জামিন

সর্বশেষ খবর

স্টেট ব্যাংক অফ ইন্ডিয়ার নারী দিবস উদযাপন

শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ করলেন মোস্তাফিজুর রহমান

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘ইউল্যাব’ শিক্ষার্থীদের ফটোওয়াক

ভান্ডারিয়া ও মঠবাড়িয়ায় পৌর প্রশাসক নিয়োগ