আইনের দৃষ্টিতে পলাতক আসামি তারেক রহমানের বিরুদ্ধে করা রুলের নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত তার বক্তব্য সকল গণমাধ্যম, অনলাইন এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার ও প্রকাশে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে হাইকোর্ট। একইসঙ্গে তারেক রহমানের সংবিধানপরিপন্থী বক্তব্য, গণমাধ্যমে প্রচার বন্ধে ব্যবস্থা নিতে স্বরাষ্ট্রসচিব, তথ্যসচিব, আইনসচিব, পুলিশের মহাপরিদর্শকসহ কয়েকটি গণমাধ্যমের সম্পাদক এবং বার্তা সম্পাদককে নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট।
তারেক রহমানের বক্তব্য গণমাধ্যমে প্রচার বন্ধে এক আইনজীবীর জনস্বার্থে করা রুল আবেদনের প্রাথমিক শুনানী শেষে বুধবার হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ এ আদেশ দেয়।
হাইকোর্টের এ নির্দেশনাকে নজিরবিহীন বললেও তা মেনে চলা যুক্তিযুক্ত হবে বলে মন্তব্য করেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা খন্দকার মাহবুব হোসেন।
এদিকে একই রুলে তারেক রহমানের পাসপোর্টের বর্তমান অবস্থা এবং তা নবায়ন করা হয়েছে কি-না, ৩০ দিনের মধ্যে সে বিষয়ে প্রতিবেদন জমা দিতে পররাষ্ট্র সচিবকে নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট।
উল্লেখ্য, আইনের চোখে পলাতক বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান লন্ডনে বিভিন্ন রাজনৈতিক অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেন। সেসব বক্তব্য রাজনীতির মাঠে সৃষ্টি করে উত্তেজনা। সর্বশেষ তারেক রহমানের বক্তব্য প্রত্যাহার এবং ক্ষমা না চাওয়া পর্যন্ত গাজীপুরে খালেদা জিয়াকে সমাবেশ করতে দেয়া হবে না বলে ঘোষণা দেয় ছাত্রলীগ। সহিংস পরিস্থিতির মুখে পুলিশি নিষেধাজ্ঞায় শেষপর্যন্ত গাজীপুরে সমাবেশ করতে পারেননি খালেদা জিয়া।
এমন প্রেক্ষাপটে তারেক রহমানের বক্তব্য সামাজিক ও গণমাধ্যমে প্রচার বন্ধ করতে জনস্বার্থে রিট আবেদন করেন এক আইনজীবী। আদালত প্রাথমিক শুনানী শেষে রুল নিস্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত তার বক্তব্য প্রচার বন্ধ করতে অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ দেয়।