সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এএমএস কিবরিয়া হত্যা মামলায় ৭ আসামি হবিগঞ্জে আদালতে হাজিরা দিয়েছেন।
তারা হলেন ঊচ্চ আদালত থেকে জামিনপ্রাপ্ত জেলা বিএনপি'র সাবেক সহ-সভাপতি একেএম আব্দুল কাইয়ূম, জমির আলী, জয়নাল আবেদীন মোমিন, মো. তাজুল ইসলাম, মো. শাহেদ আলী, মো. সেলিম আহমেদ ও আয়াত আলী।
বৃহস্পতিবার মামলার নির্ধারিত তারিখে আসামিরা হবিগঞ্জের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রোকেয়া আক্তারের আদালতে হাজির হন।
তবে কারাগারে আটক সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, হবিগঞ্জের মেয়র জি কে গউছ ও সিলেটের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীকে এ দিন আদালতে হাজির করা হয়নি। আগামী ২৫ জানুয়ারি এ মামলার পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।
গত ২১ ডিসেম্বর হবিগঞ্জ আদালতে ৩৫জনের বিরুদ্ধে সম্পূরক চার্জসিট দাখিলের পর আসামিদের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে আদালত।
এ মামলার অন্যান্য আসামিরা হলেন: বিএনপি নেতা হারিছ চৌধুরী, মওলানা তাজউদ্দিনের ভগ্নিপতি হুজি নেতা হাফেজ মো. ইয়াহিয়া, আবু বকর ওরফে করিম, দেলোয়ার হোসেন রিপন, শেখ ফরিদ, আবদুল জলিল ও মওলানা শেখ আবদুস সালাম।
গত ৬ ডিসেম্বর কিবরিয়া হত্যা মামলার সম্পূরক চার্জসিট দাখিল করা হলে আদালতের বিচারক এ সম্পূরক চার্জসিটে কিছু ভুল থাকার কারণে সংশোধন করে ২১ ডিসেম্বর দাখিল করার আদেশ দেন।
ওইদিনই মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মেহরেুন্নেছা তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিলের পর বিচারক রোকেয়া আক্তার এজাহারভুক্ত আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।
এর আগে ২০০৫ সালের ১৯ মার্চ প্রথম দফায় ১০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। দ্বিতীয় দফা আসামির সংখ্যা ১৬ জন বাডিয়ে ২০১১ সালের ২০ জুন ২৬ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয়া হয়।
শাহ এ এম এস কিবরিয়া ২০০৫ সালের ২৭ জানুয়ারি হবিগঞ্জ সদর উপজেলার বৈদ্যের বাজারে ঈদ-পরবর্তী জনসভা শেষে বের হওয়ার পথে গ্রেনেড হামলার শিকার হন। গুরুতর আহত অবস্থায় চিকিৎসার জন্য ঢাকা নেয়ার পথে তিনি মারা যান। এ হামলায় কিবরিয়ার ভাতিজা শাহ মনজুরুল হুদা, আওয়ামী লীগের নেতা আবদুর রহিম, আবুল হোসেন ও সিদ্দিক আলী নিহত হন। মারাত্মক আহত হন শতাধিক ব্যক্তি। এ ঘটনায় হবিগঞ্জ-১ আসনের বতর্মান সাংসদ আবদুল মজিদ খান বাদী হয়ে হত্যা ও বিস্ফোরকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে দুটি মামলা করেন।