সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এএমএস কিবরিয়া হত্যা মামলার বিচারকাজ ১০ বছরেও শেষ হয়নি। পুলিশের দুই দফা তদন্ত রিপোর্টের বিরুদ্ধে নারাজি আবেদন পড়লে তৃতীয় দফা তদন্তের দায়িত্ব পায় সিআইডি। সম্প্রতি তৃতীয় দফায় চার্জশিট দেয়ার পর শুরু হয়েছে এ মামলার বিচারকাজ।
আর এ মামলায় এরইমধ্যে কারাগারে আছেন সিলেটের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী ও হবিগঞ্জের পৌর মেয়র জিকে গউছ।
২০০৫ সালের ২৭ জানুয়ারি হবিগঞ্জের বৈদ্যেরবাজারে আওয়ামী লীগের এক সমাবেশে গ্রেনেড হামলায় শাহ এএমএস কিবরিয়াসহ ৫ জন নিহত হন। ঘটনাস্থলেই ৪ জন মারা যান। গুরুতর আহত কিবরিয়াকে ঢাকায় আনা হলে চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় আহত হন কমপক্ষে ১০০ জন।
ওই হত্যাকাণ্ডের ঘটনার মামলায় প্রথম দফা তদন্ত শেষে ২০০৫ সালে সম্পূরক অভিযোগপত্র দেয়া হলে তা নিয়ে কিবরিয়া পরিবারের সদস্যরা প্রশ্ন ওঠালে অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দেয় আদালত।
দ্বিতীয় দফা অধিকতর তদন্ত শেষে ২০১১ সালের ২০ জুন আবারো চার্জশিট দেয়া হয়। এ দফায়ও নারাজি আবেদন করা হলে সিআইডিকে তৃতীয় দফায় তদন্তের নির্দেশ দেয় আদালত।
গত ২১ ডিসেম্বর তৃতীয় দফা তদন্ত শেষে সম্পূরক চার্জশিট দেয়া হয়। নতুন এ চার্জশিটে বিএনপি নেতা হারিছ চৌধুরী, সিলেটের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী ও হবিগঞ্জের পৌর মেয়র জিকে গউছসহ ৩৫ জনকে আসামি করা হয়। এ মামলায় এরইমধ্যে আরিফুল হক ও জিকে গউছ কারাগারে আছেন।
প্রায় ১০ বছর পর এ মামলার বিচার শুরু হয়েছে। এ হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচারের দাবি সেদিনের আহত নিহতের স্বজনদের।