আদালত

কামারুজ্জামানের আপিলের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ

কামারুজ্জামান
কামারুজ্জামান

মুক্তিযুদ্ধের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধে শেরপুরের জামাত-আলবদর নেতা মোহাম্মদ কামারুজ্জামানের আপিলে পূর্ণাঙ্গ রায় বুধবার প্রকাশ করা হয়েছে।

গতবছর ৩ নভেম্বর আলবদর নেতা মোহাম্মদ কামারুজ্জামানের মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল রাখে আপিল বিভাগ। আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বাধীন ৪ বিচারপতির বেঞ্চ এ রায় দেয়।

বেঞ্চের অপর তিন সদস্য বিচারপতি হলেন: বিচারপতি মো. আবদুল ওয়াহাব মিঞা, বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী ও বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী।

গত বছরের ৯ মে ময়মনসিংহের আল-বদর প্রধান কামারুজ্জামানকে মৃত্যুদণ্ড দেয় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। রায়ে হত্যা ও গণহত্যার দুটি অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় জামাতের সহকারি সেক্রেটারি জেনারেল কামারুজ্জামানকে মৃত্যুদণ্ড দেয়। অন্য দুটি অভিযোগে তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং আরেকটিতে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়।

গত বছরের ৬ জুন ট্রাইব্যুনালের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেন কামারুজ্জামান। আর ট্রাইব্যুনালে আসামির সর্বোচ্চ শাস্তির আদেশ হওয়ায় রাষ্ট্রপক্ষ এ মামলায় আপিল করেনি।

সুপ্রিম কোর্টে আপিল দাখিলের পর চলতি বছর ৫ জুন শুনানি শুরু হয়ে ১৭ সেপ্টেম্বর শেষ হয়। এরপর মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রাখে আপিল বিভাগ। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায়ের বিরুদ্ধে করা তৃতীয় আপিলের রায় এটি।

কামারুজ্জামানের বিচার:

একাত্তরে আল বদরের ময়মনসিংহ জেলা শাখা প্রধান কামারুজ্জামানকে গত বছর ৯ মে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছিল আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। তৃতীয় ও চতুর্থ অভিযোগে হত্যার ঘটনায় কামারুজ্জামানকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে ওই দণ্ড কার্যকর করার আদেশ দিয়েছিল বিচারিক আদালত।

এর মধ্যে তৃতীয় অভিযোগে শেরপুরের নালিতাবাড়ি উপজেলার সোহাগপুরে ১২০ জন পুরুষকে ধরে নিয়ে হত্যার দায়ে আপিল বিভাগের চার বিচারপতি সর্বসম্মতভাবে আসামি কামারুজ্জামানকে দোষী সাব্যস্ত করেছে। আর তাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে সংখ্যাগরিষ্ঠের মতামতের ভিত্তিতে।

তবে চতুর্থ অভিযোগে গোলাম মোস্তফাকে হত্যার ঘটনায় ট্রাইব্যুনালের দেওয়া সর্বোচ্চ সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আপিল বিভাগ।

এছাড়া যাবজ্জীবন ও ১০ বছর কারাদণ্ডের দুটি অভিযোগ বহাল এবং যাবজ্জীবনের একটি অভিযোগ থেকে কামারুজ্জামানকে খালাস দিয়েছে আদালত।

যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনালে দণ্ডিতদের মধ্যে কামারুজ্জামান হলেন তৃতীয় ব্যক্তি, আপিল বিভাগে যার মামলার নিষ্পত্তি হয়েছে।

কাশিমপুরে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার-২ এর চল্লিশ নম্বর ফাঁসির সেলে কয়েদির পোশাকে বন্দি এ জামাত নেতা সর্বোচ্চ আদালতের রায়ের খবর শোনেন নিজের কাছে থাকা এক ব্যান্ডের রেডিওতে।

এ কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার মো. জাহাঙ্গীর বলেন, কারাগারে রায় শোনার পর বাহ্যিকভাবে তার মানসিক কোনো পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়নি। খাওয়া-দাওয়াসহ তার আচরণ ছিল স্বাভাবিক; বিচলিত মনে হয়নি।

নিয়মানুযায়ী, এখন আপিলের রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশিত হলে তা ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়। সেটি হাতে পেলে নিয়মানুযায়ী মৃত্যু পরোয়ানা জারি করবে ট্রাইব্যুনাল। এরপর তা কার্যকর করবে সরকার। এক্ষেত্রে সরকার চাইলে কারাবিধিও (জেলকোড) অনুসরণ করতে পারে।

কারাবিধি অনুযায়ী প্রত্যেক মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত বন্দি রাষ্ট্রপতির ক্ষমা প্রার্থনার সুযোগ পাবেন। মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তির পর জেলসুপার তা বন্দিকে জানিয়ে রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করার বিষয়ে তার মত চাইবেন। সাত দিনের মধ্যে তাকে ক্ষমা প্রার্থনা করতে হবে।

যে কারণে ফাঁসি

গত বছর ট্রাইব্যুনালের রায়ে প্রসিকিউশনের আনা সাতটি অভিযোগের মধ্যে ৩ ও ৪ নম্বর অভিযোগে কামারুজ্জামানের ফাঁসির আদেশ হয়। ১ ও ৭ নম্বর অভিযোগে কামারুজ্জামানকে যাবজ্জীবন এবং ২ নম্বর অভিযোগে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেয় ট্রাইব্যুনাল।

আপিল বিভাগের রায়ে তৃতীয় অভিযোগে শেরপুরের সোহাগপুর গ্রামের হত্যাকাণ্ডে কামারুজ্জামানকে সর্বসম্মতভাবে দোষী সাব্যস্ত করেছেন চার বিচারক। তবে তাকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছে সংখ্যাগরিষ্ঠের মতামতের ভিত্তিতে। কোনো বিচারক ভিন্ন সাজার পক্ষে বলেছেন, সংক্ষিপ্ত রায়ে তা জানা যায়নি।

একাত্তরে আলবদর নেতা মোহাম্মদ কামারুজ্জামানের পরিকল্পনায় ওই গ্রামের ১২০ জন পুরুষকে হত্যা ও বহু নারীকে ধর্ষণ করা হয়। এরপর সোহাগপুর পরিচিত হয় ‘বিধবাপল্লী’নামে।

আপিলের রায়ে চার নম্বর অভিযোগে কামারুজ্জামানকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে সংখ্যাগরিষ্ঠের মতামতের ভিত্তিতে। সর্বোচ্চ সাজা কমিয়ে দেয়া হয়েছে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড। তবে তিন নম্বর অভিযোগে সর্বোচ্চ সাজার রায় আসায় এ জামাত নেতার ক্ষেত্রে প্রাণদণ্ডই প্রযোজ্য হচ্ছে।

এছাড়া ৭ নম্বর অভিযোগে ট্রাইব্যুনালের দেয়া যাবজ্জীবন সাজা আপিল বিভাগ সংখ্যাগরিষ্ঠের মতামতের ভিত্তিতে বহাল রেখেছে। একইভাবে ২ নম্বর অভিযোগে ১০ বছর কারাদণ্ডও বহাল থাকছে।

প্রসিকিউশনের ১ নম্বর অভিযোগে ট্রাইব্যুনাল যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিলেও আপিল বিভাগ থাকে খালাস দিয়েছে।

পঞ্চম ও ষষ্ঠ অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি বলে ট্রাইব্যুনালের রায়ে জানানো হয়েছিল। প্রসিকিউশনের আপিল না থাকায় সর্বোচ্চ আদালতের রায়ে এ বিষয়ে কিছু বলা হয়নি।

রিভিউ ‘জটিলতা’

সর্বোচ্চ আদালতে যুদ্ধাপরাধ মামলার তৃতীয় রায়ের পরও ফিরে আসে রিভিউ বিতর্ক। আসামিপক্ষ রিভিউয়ের অধিকারের কথা বললেও রাষ্ট্রপক্ষ বলে- সে সুযোগ নেই।

কামারুজ্জামানের আইনজীবী তাজুল ইসলাম ও তার ছেলে হাসান ইকবাল হোসেন দুজনেই বলেন, তারা রিভিউয়ের আবেদন করবেন।

এ বিষয়ে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম আগের দুটি রায়ের মতোই বলেছেন, রিভিউ করার আর কোনো সুযোগ রয়েছে বলে তিনি মনে করেন না। এর আগে কাদের মোল্লার পক্ষ থেকে রিভিউ করেছিল, তা খারিজ করে দেয় আদালত। এক্ষেত্রে রিভিউয়ের আর কোনো স্কোপ নেই।

সংবিধানের ১০৫ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আসামিপক্ষ রিভিউ করতে পারে কিনা জানতে চাইলে তাও নাকচ করে দেন রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা।

তিনি বলেন, বিশেষ আইনে এ বিচার হচ্ছে। সাংবিধানিকভাবে এ আইন প্রটেকটেড। ১০৫ আর্টিকেল কাদের মোল্লার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না বলেছিলাম, এখনও তা বলছি। কামারুজ্জামানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না, আর রিভিউ চলবে না।

অন্যদিকে তাজুল ইসলাম বলেছেন, রিভিউ সাংবিধানিক অধিকার। সরকার পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে- রিভিউ মেনটেইনেবল না। কাদের মোল্লার রায়ের ক্ষেত্রেও রিভিউ করা হয়েছিল। সুতরাং রিভিউ নিষ্পত্তি করতে হবে। মেরিটেবল না হলে রিভিউ খারিজ হতে পারে।

বদর কমান্ডার থেকে শিবির সভাপতি:

জামাতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মুহাম্মদ কামারুজ্জামান ১৯৫২ সালের ৪ জুলাই শেরপুর সদর উপজেলার বাজিতখিলায় জন্ম নেন। ১৯৭১ সালে তিনি ছিলেন জামাতে ইসলামীর তখনকার ছাত্র সংগঠন ইসলামী ছাত্রসংঘের ময়মনসিংহ জেলার প্রধান।

মুক্তিযুদ্ধ শুরুর পর ২২ এপ্রিল পাকিস্তানি বাহিনীকে সহযোগিতা করতে জামালপুরের আশেক-মাহমুদ কলেজের ইসলামী ছাত্রসংঘের বাছাই করা নেতাকর্মীদের নিয়ে আলবদর বাহিনী গড়ে তোলেন তিনি। এ বাহিনী ওইসময় ময়মনসিংহ, জামালপুর, নেত্রকোনা, কিশোরগঞ্জ, শেরপুর ও টাঙ্গাইলে ব্যাপক মাত্রায় যুদ্ধাপরাধ ঘটায়।

স্বাধীনতার পরের বছর ময়মনসিংহের নাসিরাবাদ কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করেন কামারুজ্জামান। ১৯৭৫ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা বিভাগ থেকে থেকে মাস্টার্স পাস করার পর সামরিক শাসক জিয়াউর রহমনের আমলে ১৯৭৮-৭৯ সালে ইসলামী ছাত্র শিবিরের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।

১৯৭৯ সালের অক্টোবরে কামারুজ্জামান মূল দল জামাতে ইসলামীতে যোগ দেন এবং ওই বছর ১৬ ডিসেম্বর রুকনের দায়িত্ব পান।

১৯৮২-১৯৮৩ সালে তিনি জামাতে ইসলামীর মুখপত্র দৈনিক সংগ্রামের নির্বাহী সম্পাদকের দায়িত্বেও ছিলেন। একসময় জাতীয় প্রেসক্লাবের সদস্য পদে থাকলেও যুদ্ধাপরাধের বিচার শুরুর পর গণজাগরণ মঞ্চসহ বিভিন্ন মহলের দাবির মুখে তাকে বহিষ্কার করা হয়। ১৯৯২ সাল থেকে তিনি দলে সহকারী সেক্রেটারি জেনারেলের দায়িত্বে রয়েছেন।

আলবদর বাহিনীর সংগঠক

এ মামলায় ট্রাইব্যুনালের রায়ে বলা হয়, একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের সময় মোহাম্মদ কামারুজ্জামান বৃহত্তর ময়মনসিংহে আলবদর বাহিনীকে সংগঠিত করেন বলে যে তথ্যপ্রমাণ প্রসিকিউশন উপস্থাপন করেছে- আসামির আইনজীবীরা তা খণ্ডাতে পারেননি।

প্রসিকিউশন অভিযোগে বলেছে, বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ শুরুর পর পাকিস্তানি বাহিনীকে সহযোগিতা করতে বৃহত্তর ময়মনসিংহে যে আলবদর বাহিনী গড়ে তোলা হয়, কামারুজ্জামান ছিলেন তার ‘চিফ অর্গানাইজার’।

এর পক্ষে প্রসিকিউটররা দৈনিক সংগ্রামের সেই সময়ের একটি প্রতিবেদনও উপস্থাপন করেন, যে পত্রিকাটি জামাতরে মুখপত্র হিসাবে পরিচিত।

আর দল হিসেবে জামাতকেও যুদ্ধাপরাধে দায়ী করে রায়ের পর্যবেক্ষণে বলা হয়, সেই সময়ে দলটি বাংলাদেশের স্বাধীনতাকামীদের ‘সন্ত্রাসী ও গুপ্তচর’ আখ্যায়িত করে নির্বিচারে গণহত্যা চালায়। আর এ কাজে তারা ব্যবহার করে নিজেদের ছাত্র সংগঠন ইসলামী ছাত্র সংঘের সদস্যদের নিয়ে গঠিত আলবদর এবং জামায়াতকর্মীদের নিয়ে গঠিত রাজাকার বাহিনীকে।

দেখা যায়, জামাতে ইসলামী এসব মানবতাবিরোধী অপরাধের পরিকল্পনায় মূল ভূমিকা রাখে। আর আল বদর বাহিনী কাজ করে খুনে বাহিনী (ডেথ স্কোয়াড) হিসাবে।

বিচার পরিক্রমা

আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর ২০১০ সালে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গঠনের মধ্য দিয়ে একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের বহু প্রত্যাশিত বিচার কাজ শুরু হয়।

ওই বছর ২১ জুলাই কামারুজ্জামানের যুদ্ধাপরাধের তদন্ত শুরু করে প্রসিকিউশনের তদন্ত দল। ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেয়ার অভিযোগে একটি মামলায় একই বছর ২৯ জুলাই তাকে গ্রেপ্তারের পর ২ অগাস্ট তাকে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে কামারুজ্জামানের যুদ্ধাপরাধের বিচার শুরু হয়েছিল ২০১২ সালের ৪ জুন। প্রসিকিউশনের পক্ষে এ মামলায় তদন্ত কর্মকর্তাসহ মোট ১৮ জন সাক্ষ্য দেন। আসামিপক্ষে সাক্ষ্য দেন পাঁচজন।

২০১৩ সালের ৯ মে হত্যা ও নির্যাতনের মতো মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে তাকে মৃত্যুদণ্ড দেয় ট্রাইব্যুনাল।

ওই রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে গত বছরের ৬ জুন আপিল করেন কামারুজ্জামান। গত ৫ জুন এ বিষয়ে শুনানি শুরু হয়। শুনানি শেষে গত ১৭ সেপ্টেম্বর আপিল বিভাগ রায় অপেক্ষমাণ (সিএভি) রাখেন। এর এক মাস ১৬ দিনের মাথায় এ রায় হলো।

তৃতীয় রায়

ট্রাইব্যুনালে এ পর্যন্ত হওয়া ১১টি মামলার রায়ের মধ্যে এখন পর্যন্ত সাতটিতে দণ্ডাদেশের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল হয়েছে। মৃত্যুদণ্ডাদেশ পাওয়া আবুল কালাম আযাদ এবং চৌধুরী মুঈনুদ্দীন ও আশরাফুজ্জামান খান পলাতক থাকায় এ সুযোগ পাননি।

কামারুজ্জামানের মামলাসহ চূড়ান্ত রায় এসেছে তিন মামলায়। এর আগে ১৭ সেপ্টেম্বর জামায়াতের নায়েবে আমির দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীকে আমৃত্যু কারাদণ্ড এবং তার ঠিক এক বছর আগে দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আবদুল কাদের মোল্লাকে মৃত্যুদণ্ড দেয় আপিল বিভাগ। গত ১২ ডিসেম্বর রাতে কাদের মোল্লার ফাঁসি কার্যকর করা হয়।

আপিল শুনানি চলাকালেই মৃত্যু হয়েছে জামায়াতের সাবেক আমির গোলাম আযম এবং বিএনপির সাবেক মন্ত্রী আবদুল আলীমের।

জামাতের সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মাদ মুজাহিদ ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর আপিল বিচারাধীন। সাহায্য বিডি নিউজ।

দেশটিভি/আরসি
দেশ-বিদেশের সকল তাৎক্ষণিক সংবাদ, দেশ টিভির জনপ্রিয় সব নাটক ও অনুষ্ঠান দেখতে, সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল:

এছাড়াও রয়েছে

আল আমিনের তালাক: সন্তান নিয়ে আদালতে স্ত্রী

অস্ত্র মামলা: জি কে শামীমসহ ৮ জনের যাবজ্জীবন

আবেদন করলে খালেদা জিয়ার আবারো মুক্তির মেয়াদ বাড়বে: আইনমন্ত্রী

রুবেল-বরকতের অর্থপাচার মামলা ফের তদন্তের নির্দেশ আদালতের

জাহালমকে পাঁচ লাখ টাকা দিলো ব্র্যাক ব্যাংক

৮৫ নির্বাচন কর্মকর্তাকে চাকরিতে পুনর্বহালের আদেশ বাতিল

সরকারি কর্মচারীদের গ্রেপ্তারে পূর্বানুমতি বাতিলের রায় স্থগিত

ডেসটিনির চেয়ারম্যান হারুন-অর-রশিদের জামিন

সর্বশেষ খবর

স্টেট ব্যাংক অফ ইন্ডিয়ার নারী দিবস উদযাপন

শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ করলেন মোস্তাফিজুর রহমান

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘ইউল্যাব’ শিক্ষার্থীদের ফটোওয়াক

ভান্ডারিয়া ও মঠবাড়িয়ায় পৌর প্রশাসক নিয়োগ