জিয়া অরফানেজ ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জামিন মঞ্জুর করেছে আদালত। মামলার পরবর্তী শুনানি আগামী ৫ মে ধার্য করা হয়েছে।
রোববার আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে স্থাপিত বিশেষ জজ আদালতের বিচারক আবু আহমেদ জমাদার তার জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন।
আদালতের আরেক আদেশে, পরবর্তী শুনানিগুলোতে মামলার কমপক্ষে ২ জন আসামির উপস্থিতি বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। তবে বিএনপি চেয়ারপারসন ও দলের ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান তাদের আইনজীবীর মাধ্যমে হাজিরা দিতে পারবেন।
এর আগে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে আদালতে হাজির হন খালেদা জিয়া। দুই দুর্নীতি মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির ৩৮ দিনের মাথায় আদালতে হাজির হলেন বিএনপি চেয়ারপারসন।
এ দুই মামলায় গত বছর ২৪ ডিসেম্বর সর্বশেষ হাজিরা দেন খালেদা জিয়া। এরপর কয়েকবার মামলার শুনানির দিন ধার্য থাকলেও নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে তিনি আদালতে যাননি।
পরে দুর্নীতি দমন কমিশনের আইনজীবীর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ বছরের ২৫ ফেব্রুয়ারি খালেদার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে আদালত।
৫ মার্চ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা বহাল রেখে ৫ এপ্রিল মামলার শুনানির দিন ধার্য করে আদালত।
এদিকে, খালেদা জিয়ার হাজিরাকে কেন্দ্র করে অস্থায়ী আদালতের চারপাশে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। আশেপাশের মাঠে বিপুল সংখ্যক পুলিশ ও বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। সড়কে রয়েছে পুলিশ ও র্যাবের উপস্থিতি।