মুক্তিযুদ্ধের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আলবদর কমান্ডার মীর কাসেম আলীর আপিলের সারসংক্ষেপ ২০ মের মধ্যে জমা দিতে আসামিপক্ষকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
বুধবার প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বাধীন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের ৪ সদস্যের বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
আদেশে বলা হয়, ২০ মে তারিখ থেকে এক সপ্তাহের মধ্যে রাষ্ট্রপক্ষকে আপিলের সারসংক্ষেপ জমা দিতে হবে।
২০১৪ বছরের ২ নভেম্বর মীর কাসেমকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২। এ রায়ের বিরুদ্ধে একই বছরের ৩০ নভেম্বর সুপ্রিম কোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় আপিল দাখিল করেন এই জামাত নেতা।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরোধীতাকারী জামাত নেতা মীর কাসেম ১৯৭১ সালে দলটির ছাত্রসংগঠন ইসলামী ছাত্রসংঘের চট্টগ্রাম শহর শাখার সভাপতি ছিলেন। একই সঙ্গে তিনি ছিলেন কুখ্যাত গুপ্তঘাতক আলবদর বাহিনীর চট্টগ্রাম অঞ্চলের প্রধান।
মীর কাসেমের নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধকালে চট্টগ্রাম শহরের আন্দরকিল্লা এলাকার ডালিম হোটেলে স্থাপিত হয় আলবদর বাহিনীর ক্যাম্প ও নির্যাতনকেন্দ্র।
মুক্তিযুদ্ধের সময় চট্টগ্রামের ডালিম হোটেলকে কেন্দ্র করেই আবর্তিত হতো সব ধরনের মানবতাবিরোধী অপরাধ, যার তত্ত্বাবধানে ছিলেন মীর কাসেম।
এ হোটেল মানুষের কাছে পরিচিতি পায় হত্যাপুরী হিসেবে আর নৃশংসতার জন্য মীর কাসেমের পরিচয় হয় ‘বাঙালি খান’।