নারায়ণগঞ্জের আলোচিত সাত হত্যাকাণ্ডের মামলায় ৩৫ জনকে আসামি করে পুলিশের দেয়া অভিযোগপত্রের বিরুদ্ধে মামলার বাদী নিহত প্যানেল মেয়র নজরুল ইসলামের স্ত্রী সেলিনা হোসেন বিউটির নারাজি আবেদনের শুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার সকালে নারায়ণগঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট এইচ এম শফিকুল ইসলামের আদালতে এ শুনানি হয়।
আগামী ৮ জুলাই পুনরায় শুনানির তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে এবং নারাজি আবেদনের আদেশের নির্ধারণ করে আদালত।
এসময় আদালতে র্যাবের সাবেক ৩ কর্মকর্তা লেঃ কর্নেল তারেক সাঈদ মোহাম্মদ, মেজর আরিফ হোসেন ও লেঃ কমান্ডার এম এম রানাসহ মামলার ৩২ জন আসামিকে হাজির করে পুলিশ। তারা আদালতে নিয়মিত হাজিরা প্রদান করেন। তবে সাত খুনের ব্যাপারে দায়ের করা অপর আরেক মামলার বাদী নিহত আইনজীবি চন্দন সরকারের জামাতা বিজয় কুমার পাল পুলিশের দেয়া এ অভিযোগপত্রের ব্যাপারে তার কোন আপত্তি নেই বলে আদালতে জানিয়েছেন।
মামলার বাদী পক্ষের আইনজীবি অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন বলেন, অভিযোগপত্রে ব্যাপক অনিয়ম করা হয়েছে এবং হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত অনেককেই বাদ দেয়া হয়েছে। তিনি মামলাটি পুনরায় তদন্তের জন্য সিআইডিতে হস্তান্তর করার জন্য আদালতে আবেদন জানান।
গত বছরের ২৭ এপ্রিল ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোড থেকে কাউন্সিলর নজরুল ইসলাম, আইনজীবী চন্দন সরকারসহ সাতজনকে অপহরণ করা হয়। ৩০ এপ্রিল শীতলক্ষ্যা নদী থেকে ৬ জনের এবং পরদিন আরও একজনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় নারায়ণগঞ্জ পৃথক দুটি মামলা করা হয়। ২৮ এপ্রিল কাউন্সিলর নজরুল ইসলামের স্ত্রী সেলিনা ইসলাম বিউটি বাদী হয়ে ফতুল্লা মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। ৭ মে নিহত আইনজীবী চন্দন সরকারের জামাতা ডা: বিজয় কুমার পালের দায়ের করা মামলায় অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামী করা হয়।