আদালত

কিবরিয়া হত্যা মামলা: পরবর্তী শুনানি ৬ জুলাই

শাহ এএমএস কিবরিয়া
শাহ এএমএস কিবরিয়া

সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এএমএস কিবরিয়া হত্যা মামলার বিচার কার্যক্রম রোববার সিলেটে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে শুরু হয়েছে।

মামলা আমলে নেয়ার পর শুনানি শেষে আগামী ৬ জুলাই মামলার পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করেন আদালতের বিচারক ও দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের ভারপ্রাপ্ত বিচারক মো. মনির আহমদ পাটোয়ারী।

প্রথমবারের মতো দ্রুত বিচার আদালতে হাজিরা দেয়ার কথা থাকলেও অসুস্থতার জন্য হাজির হয়নি এ মামলার অন্যতম আসামি সিলেট সিটি করপোরেশনের বরখাস্তকৃত মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী।

তবে বরখাস্তকৃত হবিগঞ্জের পৌর মেয়র জিকে গউছসহ আরোও দুই আসামকে হাজির করা হয়।

শুনানিকালে হুজি নেতা দেলোয়ার হোসেন রিপন, বদিউল আলম মিজান,মিজানুর রহমান ও হবিগঞ্জের মেয়র জি কে গৌছকে আদালতে হাজির করা হয়।

জেলা ও দায়রা জজ আদালতের অতিরিক্ত পিপি শামসুল ইসলাম বলেন, এ মামলার আসামি কারান্তরীণ সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী অসুস্থ থাকায় এবং মুফতি হান্নান, মুহিবুল্লাহ, শরীফ সাইফুল আলম বিপুল, মাওলানা শওকত উসমান ওরফে শেখ ফরিদ, মুফতি মঈন উদ্দিন ওরফে আবু জান্দাল, আব্দুল মজিদ বাট ওরফে ইউসুফ বাট, শেখ আব্দুস সালাম বিভিন্ন কারাগারে থাকায় তাদের হাজির করা হয়নি।

রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন সিলেট জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ, অতিরিক্ত পিপি শামসুল ইসলাম, দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিশেষ পিপি কিশোর কুমার কর।

এছাড়া আসামি পক্ষে উপস্থিত ছিলেন- সিলেট জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট এমাদ উল্লাহ শহিদুল ইসলাম, মোহাম্মদ লালা ও আব্দুল খালিক।

অতিরিক্ত পিপি শামসুল ইসলাম বলেন, মামলার চার্জশিটভুক্ত সিসিক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী ও হবিগঞ্জ পৌর মেয়র জিকে গউছসহ ৩২ আসামির ১৪ জন কারান্তরীণ রয়েছেন।

এদের মধ্যে জি কে গউছসহ চারজনকে আদালতে হাজির করা হয়। এছাড়া আরিফুল হক অসুস্থ থাকায় এবং অনুপস্থিত ৮ আসামির অন্যরা বিভিন্ন কারাগারে থাকায় তাদের হাজির করা হয়নি। ঊচ্চ আদালতের জামিনে রয়েছেন ৮ জন। বাকিরা পলাতক পরবর্তী তারিখে কারান্তরীণ সকল আসামির উপস্থিতিতে চার্জগঠন করা হবে বলে জানান তিনি।

এর আগে হবিগঞ্জের জেলা ও দায়রা জজ মো. আতাবুল্লাহ আলোচিত এ মামলাটি দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে সিলেট বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে পাঠানোর আদেশ প্রদান করেন। গত ২ জুন হবিগঞ্জ জেলার জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম নিশাত সুলতানার আদালত থেকে মামলাটি জেলা ও দায়রা জজ আদালতে পাঠানো হয়েছিল। এরপর রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক ২০১২ সালের ৫ জানুয়ারি মামলাটি পুনঃতদন্তের আদেশ দেয়।

উল্লেখ, ২০০৫ সালের ২৭ জানুয়ারি হবিগঞ্জের বৈদ্যের বাজারে জনসভায় গ্রেনেড হামলায় আওয়ামী লীগ নেতা ও সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এএমএস কিবরিয়াসহ পাঁচজন নিহত হন। গ্রেনেড হামলার এ ঘটনায় জেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সাংগঠনিক সম্পাদক ও বর্তমান সাধারণ সম্পাদক সংসদ সদস্য আব্দুর মজিদ খান বাদী হয়ে হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে দুটি মামলা দায়ের করেন।

দেশটিভি/আরসি
দেশ-বিদেশের সকল তাৎক্ষণিক সংবাদ, দেশ টিভির জনপ্রিয় সব নাটক ও অনুষ্ঠান দেখতে, সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল:

এছাড়াও রয়েছে

আল আমিনের তালাক: সন্তান নিয়ে আদালতে স্ত্রী

অস্ত্র মামলা: জি কে শামীমসহ ৮ জনের যাবজ্জীবন

আবেদন করলে খালেদা জিয়ার আবারো মুক্তির মেয়াদ বাড়বে: আইনমন্ত্রী

রুবেল-বরকতের অর্থপাচার মামলা ফের তদন্তের নির্দেশ আদালতের

জাহালমকে পাঁচ লাখ টাকা দিলো ব্র্যাক ব্যাংক

৮৫ নির্বাচন কর্মকর্তাকে চাকরিতে পুনর্বহালের আদেশ বাতিল

সরকারি কর্মচারীদের গ্রেপ্তারে পূর্বানুমতি বাতিলের রায় স্থগিত

ডেসটিনির চেয়ারম্যান হারুন-অর-রশিদের জামিন

সর্বশেষ খবর

স্টেট ব্যাংক অফ ইন্ডিয়ার নারী দিবস উদযাপন

শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ করলেন মোস্তাফিজুর রহমান

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘ইউল্যাব’ শিক্ষার্থীদের ফটোওয়াক

ভান্ডারিয়া ও মঠবাড়িয়ায় পৌর প্রশাসক নিয়োগ