রাজধানীর শাহজাদপুরে গুলশান-বারিধারা লেকের অংশ ভরাট ও অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ৭ দিনের মধ্যে ব্যবস্থার নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট।
সোমবার জনস্বার্থে দায়ের করা এক রিটের প্রাথমিক শুনানি শেষে বিচারপতি জিনাত আরা ও বিচারপতি জে এন দেব চৌধুরীর হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ আদেশ দিয়েছে।
রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) ও ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশকে (ডিএমপি) আদালতের এ নির্দেশ বাস্তবায়ন করে ৩ সপ্তাহের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে।
এ আদেশের পাশাপাশি আদালত রুলও জারি করেছে ওই রুলে গুলশান লেকে মাটি ভরাট ও স্থাপনা নির্মাণের ক্ষেত্রে কাউকে অনুমতি না দিতে কেন নির্দেশ দেয়া হবে না তা জানতে চাওয়া হয়েছে।
আগামী ৪ সপ্তাহের মধ্যে পরিবেশ সচিব, রাজউক চেয়ারম্যান, ডিএমপি কমিশনারসহ সংশ্লিষ্ট ৮ জনকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ।
একটি জাতীয় দৈনিকে এ নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদন যুক্ত করে রোববার (২১ জুন) রিট আবেদনটি দায়ের করা হয়। ওই দৈনিকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে রাজধানীর শাহজাদপুরে গুলশান-বারিধারা লেকের অংশে গড়ে উঠছে নতুন স্থাপনা। এসব স্থাপনার কারণে লেকের আয়তন কমে যাচ্ছে।
এদিকে, সর্বস্তরে বাংলা ভাষা প্রচলনে সরকার কি কি ব্যবস্থা নিয়েছে— তা আগামী ২ আগস্টের মধ্যে জানাতে নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ মোশাররাফ হোসাইন ভূইঞা, ধর্ম সচিব চৌধুরী মো. বাবুল হাসান, সংস্কৃতি সচিব রণজিৎ কুমার বিশ্বাসসহ সংশ্লিষ্টদের এ নির্দেশ দেয়া হয়েছে।