ভারতের কোচবিহারে ভারতীয় সীমান্ত রক্ষীবাহিনীর (বিএসএফ) বিশেষ আদালতে ফেলানী হত্যা মামলার পুনর্বিচার শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় তৃতীয় দিনের মতো এ বিচারকাজ শুরু হয়।
ফেলানী হত্যা মামলার আইন সহায়তাকারী কুড়িগ্রামের পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট আব্রাহাম লিংকন বলেন, দ্বিতীয় দিন বিএসএফের বিশেষ আদালতে এ মামলায় অভিযুক্ত অমিয় ঘোষের পক্ষে-বিপক্ষে যুক্তি-তর্ক উপস্থাপন করা হয়।
এদিকে, তিন মাস ৫ দিন মুলতবির পর মঙ্গলবার পুনর্বিচারিক কার্যক্রম শুরু হয়। এর আগে ৪ মাস মুলতবি থাকার পর গত ২৫ মার্চ পুনবিচার কাজ শুরু হলেও বিএসএফের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর অসুস্থ থাকায় ৩০ জুন পর্যন্ত পুনবিচারিক কার্যক্রম মুলতবি করে আদালত।
অবশেষে ২০১৩ সালের ১৩ আগস্ট ভারতের কোচবিহারের বিএসএফের বিশেষ আদালতে ফেলানী হত্যার বিচার শুরু হয়।
গত ২০১৩ সালের ৬ সেপ্টেম্বর অভিযুক্ত বিএসএফ সদস্য অমিয় ঘোষকে বেকসুর খালাস দেয় বিএসএফের বিশেষ আদালত। পরে বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও বিএসএফের দ্বি-পাক্ষিক বৈঠকে ফেলানী হত্যার পুনর্বিচারের সীদ্ধান্ত হয়।
পরে ২০১৪ সালের ২২ সেপ্টেম্বর পুনঃবিচার শুরু করলেও একাধিকবার মুলতবির পর বিএসএফের আধিকারী সিপি ত্রিবেদীর নেতৃত্বে ৫ সদস্যের বিচারিক প্যানেল বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
উল্লেখ্য, ২০১১ সালের ৭ জানুয়ারি ফুলবাড়ীর অনন্তপুর সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া পার হওয়ার সময় বিএসএফ সদস্য অমিয় ঘোষের গুলিতে নির্মমভাবে নিহত হয় কিশোরী ফেলানী খাতুন। এ হত্যাকাণ্ডে দেশ-বিদেশের গণমাধ্যমসহ মানবাধিকার কর্মীদের মাঝে সমালোচনার ঝর উঠে।