রাজধানীর নিউ ইস্কাটনে জোড়া খুনের মামলায় সাংসদপুত্র বখতিয়ার আলম রনিকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত।
বৃহস্পতিবার দুদিনের রিমান্ড শেষে তাকে আদালতে হাজির করা হলে মহানগর হাকিম আমিনুল হক এ নির্দেশ দেন।
সকালে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গোয়েন্দা পুলিশের তদন্ত পরিদর্শক দীপক কুমার দাস মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত রনিকে কারাগারে রাখার আবেদন করেন।
রনির আইনজীবী কাজী নজরুল মোল্লা রনির জামিনের জন্য আবেদনে করেন। পরে শুনানি শেষে তা নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেয় আদালত।
মঙ্গলবার সাংসদপুত্রকে তৃতীয় দফায় ২ দিনের রিমান্ডে নেয় পুলিশ। আজ তা শেষ হয়।
গত ২৮ জুন সকালে দ্বিতীয় দফায় রিমান্ড শেষে রনিকে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল হকের আদালতে হাজির করে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। রনিকে জিজ্ঞাসাবাদে আরো সাত দিনের রিমান্ডে নিতে আদালতে আবেদন করে পুলিশ।
ওইদিন আদালতে মামলার প্রয়োজনীয় কাগজপত্র উপস্থাপন না করতে পারায় মঙ্গলবার রিমান্ড শুনানির দিন ঠিক করে। একই সঙ্গে মামলার তদন্ত কর্মকর্তাকে শুনানির দিনে মামলার প্রয়োজনীয় কাগজপত্র (সিডি) উপস্থাপন করারও নির্দেশ দেয় আদালত।
এর আগে ২৪ জুন রনিকে দ্বিতীয় দফায় চার দিন ও ৯ জুন প্রথম দফায় চার দিনের রিমান্ডে নেয় পুলিশ।
প্রসঙ্গত: সাংসদ ও মহিলা আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক পিনু খানের ছেলে রনি
উল্লেখ, পুলিশ ও আদালতের কাছে তিন জনের দেয়া জবানবন্দি থেকে জানা গেছে, চলতি বছরের ১৩ এপ্রিল গভীর রাতে নিউ ইস্কাটন রোডে প্রাডো গাড়ি থেকে নেশাগ্রস্ত অবস্থায় বখতিয়ার এলোপাতাড়ি গুলি ছুড়লে রিকশাচালক আবদুল হাকিম ও দৈনিক জনকণ্ঠ পত্রিকার অটোরিকশাচালক ইয়াকুব আলী আহত হন।
ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৫ এপ্রিল হাকিম এবং ২৩ এপ্রিল ইয়াকুব মারা যান। এ ঘটনায় ১৫ এপ্রিল রাতে রমনা থানায় মামলা করেন হাকিমের মা মনোয়ারা বেগম। ওই ঘটনার ৩১ মে বখতিয়ার ও তার গাড়িচালক ইমরান ফকিরকে গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ।