ফেলানী হত্যা মামলায় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী-বিএসএফ সদস্য অমিয় ঘোষকে বেকসুর খালাস দিয়ে পূর্বের রায় বহাল রাখেছে বিশেষ আদালত। বৃহস্পতিবার রাত ১২টার পর ভারতের কোচবিহারে এ ঘোষণা দেয়া হয়।
ফেলানী হত্যা মামলার আইন সহায়তাকারী কুড়িগ্রামের পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট আব্রাহাম লিংকন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, গত ৩ দিন একটানা পুনর্বিচারিক কার্যক্রম চলার পর বাংলাদেশ সময় গতরাত ১২ টার পর পূর্বের রায় বহাল রেখে এ রায় ঘোষণা করেন বিএসএফ’র আধিকারী সিপি ত্রিবেদীর নেতৃত্বে ৫ সদস্যের বিচারিক প্যানেল।
কয়েক দফা মুলতবির পর গত ৩০ জুন বিএসএফ’র বিশেষ আদালতে পুনর্বিচারিক কার্যক্রম শুরু হয়। কঠোর গোপনীয়তায় ৩ দিন বিচারিক কার্যক্রম চলার পর এ রায় ঘোষণা করা হয়।
এর আগে, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-বিএসএফ’র দ্বি-পাক্ষিক বৈঠকের সিদ্ধান্তে ২০১৪ সালের ২২ সেপ্টেম্বর ফেলানী হত্যা মামলার পুনর্বিচার কার্যক্রম শুরু করে বিএসএফ’র বিশেষ আদালত।
২০১১ সালের ৭ জানুয়ারি ফুলবাড়ীর অনন্তপুর সীমান্তে কাটাতারের বেড়া পার হওয়ার সময় বিএসএফ সদস্য অমিয় ঘোষের গুলিতে নির্মমভাবে নিহত হয় বাংলাদেশি কিশোরী ফেলানী খাতুন। এ হত্যাকাণ্ডে দেশ-বিদেশের গণমাধ্যমসহ মানবাধিকারকর্মীদের মাঝে সমালোচনার ঝর উঠে।
২০১৩ সালের ১৩ আগষ্ট ভারতের কোচবিহারের বিএসএফ’র বিশেষ আদালতে ফেলানী হত্যার বিচার কাজ শুরু হয়। সেই বছরের ৬ সেপ্টেম্বর অভিযুক্ত বিএসএফ সদস্য অমিয় ঘোষকে বেকসুর খালাস দেয় আদালত।