আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচারকদের নিয়ে ‘কটূক্তি’ করায় গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক জাফরুল্লাহ চৌধুরীর বিরুদ্ধে আবারো আদালত অবমাননার অভিযোগ আনা হয়েছে।
সোমবার কয়েকজন মুক্তিযোদ্ধা ও গণজাগরণ মঞ্চের একাংশের সংগঠক কামাল পাশা চৌধুরী ট্রাইব্যুনালে এ আবেদন করেন।
ব্যারিস্টার খান মোহাম্মদ শামীম আজিজ তাদের পক্ষে আবেদনটি রেজিস্ট্রারের কার্যালয়ে দাখিল করেন। তবে এখনো শুনানি হয়নি।”
কামাল পাশা চৌধুরী ছাড়াও বাদী হিসেবে রয়েছেন স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শিল্পী মনোরঞ্জন ঘোষাল, মুক্তিযোদ্ধা আলী আজগর ও নজরুল ইসলাম এবং গণজাগরণ মঞ্চের সদস্য এফ এম শাহীন।
ব্রিটিশ নাগরিক ডেভিড বার্গম্যানের সাজায় উদ্বেগ প্রকাশ করে ‘অবমাননাকর’ বিবৃতি দেয়ায় গত ১০ জুন জাফরুল্লাহ চৌধুরীকে সাজা দেয় আদালত।শাস্তি হিসাবে তাকে এক ঘণ্টা আসামির কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে রাখা হয়। সেইসঙ্গে ৫ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে একমাসের কারাদণ্ড দেয় ট্রাইব্যুনাল।
তবে জাফরুল্লাহর আবেদনে সুপ্রিম কোর্টের চেম্বার আদালত পরে ওই জরিমানার আদেশের কার্যকারিতা স্থগিত করেছে।
ট্রাইব্যুনালের রায়ের দিন আদালত সাজা ঘোষণার পর জাফরুল্লাহ চৌধুরী রায়ের অনুলিপি হাতে না পাওয়া পর্যন্ত কাঠগড়ায় যাবেন না বলে দীর্ঘসময় অনড় থাকেন। পরে রায়ের কপি হাতে দেয়া হলে স্বেচ্ছায় কাঠগড়ায় গিয়ে সাজাভোগ করেন।
এদিকে, ট্রাইব্যুনালের দেয়া দণ্ড ও জরিমানার বিরুদ্ধে চেম্বার আদালত স্থগিতাদেশ দেয়ার পর বিষয়টি আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চের কার্যতালিকায় আসেনি বলে জাফরুল্লাহর আইনজীবী ব্যারিস্টার রাশনা ইমাম জানান।