নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়ায় গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা জাফরুল্লাহ চৌধুরীর আদালত অবমাননার দণ্ডাদেশ বাতিল করেছেন আপিল বিভাগ। একইসঙ্গে ভবিষ্যতে যেন এমন আচরণ না করেন, সেজন্য তাকে সতর্ক করা হয়েছে।
মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের ৪ সদস্যের বেঞ্চ এ আদেশ দেয়।
আদালতে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর পক্ষে নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়ে লিখিত আবেদন জমা দেন তার আইনজীবী আব্দুর রেজাক খান।
এ সময় আব্দুর রেজাক খান বলেন, আদালত আবেদনটি গ্রহণ করে ট্রাইব্যুনালের দেয়া দণ্ড বাতিল করে দেয়া হয়েছে।
জাফরুল্লাহর করা আবেদনের ওপর গতকাল সোমবার শুনানি হয়। ওইদিন আদালতে জাফরুল্লাহর পক্ষে ছিলেন আইনজীবী আবদুর রেজাক খান ও আবদুল্লাহ আল মামুন।
তারা শুনানিতে বলেন, যে অভিযোগে জাফরুল্লাহ চৌধুরীকে ট্রাইব্যুনাল সাজা দিয়েছেন, একই অভিযোগ থেকে আরও ২২ জনকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশে বসবাসরত ব্রিটিশ সাংবাদিক ডেভিড বার্গম্যানের সাজায় উদ্বেগ জানিয়ে আদালত অবমাননাকর বিবৃতি দেয়ায় গত ১০ জুন জাফরুল্লাহ চৌধুরীকে এজলাসে আসামির কাঠগড়ায় এক ঘণ্টার কারাদণ্ড দেন ট্রাইব্যুনাল-২। একই সঙ্গে তাকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে এক মাসের কারাদণ্ড দেয়া হয়। এক সপ্তাহের মধ্যে জরিমানার ওই টাকা জমা দেয়ার নির্দেশ দেয় ট্রাইব্যুনাল।
১০ জুনই জাফরুল্লাহ চৌধুরী এজলাসে কারাদণ্ডের সাজা ভোগ করলেও ট্রাইব্যুনালের দেয়া সাজা চ্যালেঞ্জ করে তিনি আপিল বিভাগে আবেদন করেন।
১৬ জুন চেম্বার আদালত তার অর্থদণ্ডের কার্যকারিতা স্থগিত করেন এবং আবেদনটি শুনানির জন্য আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে পাঠান। পরে আপিল বিভাগ শুনানির জন্য দিন ধার্য করেছিলেন।