কথিত বন্দুকযুদ্ধে রাজধানীর হাজারিবাগের ছাত্রলীগ নেতা আরজু নিহতের ঘটনায় র্যা পিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন-র্যা ব-২ এর বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলায় বিচার বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে ঢাকা মহানগর হাকিম আদালত।
মঙ্গলবার নালিশি মামলার অভিযোগ আমলে নিয়ে এ বিষয়ে বিচার বিভাগীয় তদন্তের আদেশ দেয় ঢাকার মহানগর হাকিম শাহরিয়ার মাহমুদ আদনানের আদালত।
এদিকে, আরজু নিহতের ঘটনায় র্যা ব আদৌ দায়ী কি-না তা তদন্তের পর জানা যাবে বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।
এ ঘটনায় র্যা বের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে নানা মহলে আবারো প্রশ্ন উঠলেও ওই প্রতিষ্ঠানকে বিলুপ্ত বা বাহিনীর সংস্কারের সম্ভাবনাকে নাকচ করে দিয়েছেন সরকারের মন্ত্রীরা।
আরজু হত্যাকাণ্ডে আদালতের নির্দেশনা অনুসরণ করা হবে—এ কথা উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আর র্যা ব কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার করা হয়েছে বিভাগীয় সিদ্ধান্তে।
এর আগে, সোমবার আরজু নিহতের ঘটনায় তার ভাই নালিশি মামলা দায়েরের পর র্যা ব-২ অধিনায়ককে প্রত্যাহার করে সদরদপ্তরে সংযুক্ত করা হয়।
গত রোববার ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে একটি নালিশি মামলা দায়ের করেন আরজুর বড় ভাই। মামলায় র্যা ব-দুই এর অধিনায়ক লে. কর্নেল মাসুদ রানা, ডিএডি শহিদুর রহমান ও পরিদর্শক ওয়াহিদ এবং সোর্স রতনকে বাদি করা হয়।
প্রসঙ্গ: ১৬ আগস্ট মোবাইল চুরির অভিযোগে রাজা নামে এক কিশোরকে হত্যার অভিযোগে ছাত্রলীগ নেতা আরজু মিয়াকে প্রধান আসামি করে ১৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। মামলা দায়েরের পর র্যাবের হাতে আটক হন আরজু।
১৭ আগস্ট দিবাগত রাতে হাজারিবাগ এলাকায় আরজুকে নিয়ে অন্য আসামি খুঁজতে গেলে র্যাবের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে নিহত হন থানা ছাত্রলীগের সভাপতি আরজু মিয়া।