দিনাজপুরের বড় পুকুরিয়া খনি দুর্নীতি মামলায় বৈধতা প্রশ্নে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার করা রিটের শুনানি শেষ, আদেশ যে কোনো দিন। রোববার আদেশ দিয়েছে আদালত।
এর আগে গত ২৩ আগস্ট এ মামলায় নিম্ন আদালতের নথি এবং দুদকের চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশনা চেয়ে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার করা দুটি আবেদন খারিজ করে দেয় হাইকোর্ট। বিচারপতি মো. নুরুজ্জামান ও বিচারপতি আবদুর রবের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেয়।
মামলাটি বাতিল চেয়ে বিএনপি চেয়ারপারসনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে রুল শুনানির সময় এ দুটি আবেদন করা হয়। গত ১৯ আগস্ট শুনানি শেষে আদালত বিষয়টি গত রোববার আদেশের জন্য রাখা ছিল।
খালেদার আইনজীবী ব্যারিস্টার রাগিব রউফ চৌধুরী বলেন, আবেদন দুটি আদালত খারিজ করে দিয়েছে। রুল শুনানির জন্য আগামী ৩০ আগস্ট দিন রাখা হয়েছে।
বিএনপি চেয়ারপারসনসহ ১০ মন্ত্রীসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে বিগত সেনা নিয়ন্ত্রিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে খনি দুর্নীতির মামলা হয়। ২০০৮ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি শাহবাগ থানায় দুদক এ মামলা করার পর ৫ অক্টোবর ১৬ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়।
এতে বলা হয়, চীনা প্রতিষ্ঠান কনসোর্টিয়াম অফ চায়না ন্যাশনাল মেশিনারিজ ইম্পোর্ট অ্যান্ড এক্সপোর্ট কর্পোরেশনের (সিএমসি) সঙ্গে বড় পুকুরিয়া কয়লা খনির উৎপাদন, ব্যবস্থাপনা ও রক্ষণাবেক্ষণ চুক্তি করার মধ্য দিয়ে আসামিরা রাষ্ট্রের প্রায় ১৫৮ কোটি ৭১ লাখ টাকা ক্ষতি করেছেন।
২০০৮ সালের ১৬ অক্টোবর খালেদার বিরুদ্ধে এ মামলার কার্যক্রম তিন মাসের জন্য স্থগিত করে হাই কোর্ট। মামলাটি কেন বাতিল করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুলও দেওয়া হয়। হাই কোর্টের ওই আদেশ আপিলেও বহাল থাকায় আটকে যায় খনি দুর্নীতি মামলা।
সাত বছর পর চলতি বছরের শুরুতে দুদক মামলাটি সচল করার উদ্যোগ নিলে হাই কোর্টের দেওয়া রুলের চূড়ান্ত শুনানি শুরু হয়