গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক জাফরুল্লাহ চৌধুরীকে সতর্ক করে আদালত অবমাননার অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দিয়েছে আর্ন্তজাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২।
মঙ্গলবার বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বাধীন ট্রাইব্যুনাল-২ এ মামলার রায় ঘোষণা করেছে।
তার নিঃশর্ত ক্ষমার আবেদন মঞ্জুর করে রায়ে বিচারক বলেন, রং হেডেড ব্যক্তি ছাড়া এ ধরনের মন্তব্য কেউ করতে পারে না।
ভবিষ্যতে মত প্রকাশের স্বাধীনতার নামে এ ধরনের আচরণ না করতে জাফরুল্লাহকে কড়াভাবে সতর্ক করে দিয়েছে আদালত।
গত ৬ জুলাই জাফরুল্লাহ চৌধুরীর বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার এ অভিযোগ আনেন ৩ জন মুক্তিযোদ্ধা ও গণজাগরণ মঞ্চের দুজন সংগঠক। পরে ১০ জুন আদালত অবমাননার দায়ে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীকে সাজা দেয় ট্রাইব্যুনাল-২। ওই দিন রায়ের পর আদালত থেকে বেরিয়ে তিনি সাংবাদিকদের কাছে ট্রাইব্যুনাল-২-এর বিচারকদের সম্পর্কে কটূক্তি করেন।
এরপর ১২ জুলাই আদালত তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়। ৮ আগস্ট ওই নোটিশের জবাবে জাফরুল্লাহ চৌধুরী তার বক্তব্যের জন্য নিঃশর্ত ক্ষমা চান।
এর আগে সাংবাদিক ডেভিড বার্গম্যানের সাজায় উদ্বেগ জানিয়ে অবমাননাকর বক্তব্য দেয়ার অভিযোগে ১০ জুন জাফরুল্লাহ চৌধুরীকে এজলাসে আসামির কাঠগড়ায় এক ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকার সাজা দেন ট্রাইব্যুনাল-২। একই সঙ্গে তাকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে এক মাসের কারাদণ্ড দেয়া হয়। ওই দিন তিনি এজলাসে দাঁড়িয়ে থেকে সাজা ভোগ করলেও অর্থদণ্ডের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে আবেদন করেন। এরপর নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়ায় ২৮ জুলাই তার অর্থদণ্ড বাতিল করেন আপিল বিভাগ।