তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) আইনের ৫৭ ধারা চ্যালেঞ্জ করে করা রিট আবেদনের ওপর বুধবার আদেশ দেবে হাইকোর্ট।
মঙ্গলবার বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি কাজী মো. ইজারুল হক আকন্দের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে এ আবেদনের শুনানি শেষ হয়।
রিট আবেদনের ওপর রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত তালুকদার। রিট আবেদনকারীর পক্ষে শুনানি করেন ইমরান এ সিদ্দিক ও শিশির মনির।
গত বৃহস্পতিবার আইসিটি আইনের ৫৭ ধারা সংবিধানের ২৭, ৩১, ৩৯ ও ৪০ অনুচ্ছেদের সঙ্গে সাংঘর্ষিক উল্লেখ করে রিট আবেদনটি করেন রাজধানীর পল্লবীর বাসিন্দা জাকির হোসেন। এ সময় ৫৭ ধারা সংবিধান পরিপন্থী ও অবৈধ ঘোষণা চান তিনি।
গত রোববার এ আবেদনের শুনানি শুরু হয়।
এদিকে, আরেকটি রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ৫৭ ধারা বিলুপ্ত করতে কেন নির্দেশ দেয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে হাইকোর্টের অপর এক বেঞ্চ রুল জারি করেছে। এ বেঞ্চের দুই বিচারপতি হলেন মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও মো. আশরাফুল কামাল।
আইসিটি আইনের ৫৭ ধারা বিলুপ্তির নির্দেশনা চেয়ে গত সপ্তাহে হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিট আবেদন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-লেখকসহ ১১ ব্যক্তি।
তারা হলেন: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক আহমেদ কামাল, আকমল হোসেন, গীতি আরা নাসরিন, ফাহমিদুল হক, তানজীম উদ্দিন খান, সামিনা লুৎফা, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক আনু মুহাম্মদ, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, সংস্কৃতিকর্মী অরূপ রাহী, লেখক রাখাল রাহা ও আব্দুস সালাম।
এ রিট আবেদনের পক্ষে শুনানি শেষে আইনজীবী জ্যোতির্ময় বড়ুয়া সাংবাদিকদের বলেন, স্বরাষ্ট্রসচিব, আইন সচিব এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক সচিবকে ৪ সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
এ রুলের রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. মোতাহার হোসেন।