প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে সরকারি মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজে ভর্তি পরীক্ষা বাতিল চেয়ে ঊচ্চ আদালতে রিট করা হয়েছে।
রোববার সকালে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. ইউনূছ আলী আকন্দ এ রিট করেন।
গতকাল শনিবার ইউনূছ একটি উকিল নোটিশ পাঠান।
এতে যে প্রশ্নপত্রে মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজে ভর্তি পরীক্ষা হয়েছে তার সঙ্গে ফাঁস হওয়া প্রশ্নপত্রের মিল রয়েছে বলে উল্লেখ করেন।
ফাঁস হওয়া এ প্রশ্নপত্রের অনুলিপি তার কাছে রয়েছে— ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এ পরীক্ষা বাতিল করে নতুন করে পরীক্ষা না নিলে এবং প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনার বিচারবিভাগীয় তদন্ত না হলে তিনি হাইকোর্টে রিট আবেদন করবেন বলে জানান।
এদিকে, মেডিকেল কলেজের ভর্তিপরীক্ষা বাতিলের দাবিতে রাজশাহী মেডিকেল কলেজের প্রধান ফটকের সামনের সড়কে বিক্ষোভ করেছেন ভর্তি-ইচ্ছুক শিক্ষার্থীরা।
মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজে ভর্তি পরীক্ষা বাতিলের দাবিতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ঘেরাও করার ঘোষণা দিয়েছেন ভর্তি-ইচ্ছুক শিক্ষার্থীরা।
রাজধানীর প্রেসক্লাবের সামনে ‘মেডিকেলে ভর্তিচ্ছু সকল শিক্ষার্থী’ ব্যানারে সংবাদ সম্মেলন হয়। সেখান থেকে শিক্ষার্থীরা এ ঘোষণা দেন।
দুপুরের পর মন্ত্রণালয় ঘেরাও ছাড়াও ১৮ তারিখে অনুষ্ঠিত মেডিকেলের ভর্তি পরীক্ষা বাতিল করার কথা জানান তারা।
মেডিকেল কলেজে ভর্তিপরীক্ষা বাতিলের দাবিতে সকালে সিলেটে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে মানববন্ধন করেন শিক্ষার্থীরা।
সংবাদ সম্মেলনে কমিটির আহ্বায়ক হাসিবুল হোসেন বলেন, আমরা যোগ্যতার স্বাক্ষর রেখে এইচএসসি পরীক্ষায় কৃতিত্বের সঙ্গে উত্তীর্ণ হয়েছি। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে কিছু কুচক্রী ও স্বার্থান্বেষী মহলের কারণে আমাদের স্বপ্ন থেকে ছিটকে পড়তে হচ্ছে। যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও আমরা কাঙ্ক্ষিত জায়গায় ভর্তি হতে পারছি না।
শিক্ষার্থীরা প্রধানমন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রী ও স্বাস্থ্যমন্ত্রীর কাছে ভর্তি পরীক্ষা বাতিল করে আবার পরীক্ষা নেয়ার দাবি জানায়।
শুক্রবার ওই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, পরীক্ষার দিন সকালে ও আগের রাতে ফেসবুকে প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়েছে। পরীক্ষার প্রশ্নপত্রের সঙ্গে তা মিলে গেছে। তারা এ পরীক্ষা বাতিল করে নতুন করে পরীক্ষা নেয়ার দাবি জানিয়েছেন।