চট্টগ্রাম বন্দরে একটি কনটেইনার থেকে প্রায় পৌনে তিন কোটি ভারতীয় রুপি জব্দের ঘটনায় করা মামলায় গ্রেপ্তার পাঁচ আসামির ৫ দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত।
মঙ্গলবার চট্টগ্রাম মহানগর হাকিম নওরীন আক্তার কাঁকন এ আদেশ দেন।
শুনানির সময় আসামিদের চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। পরে তাদের কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।
এ ব্যাপারে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বন্দর থানার এসআই জহির হোসেন বলেন, আদালত পাঁচ আসামির রিমান্ড মঞ্জুর করেছে। দুই-একদিনের মধ্যে তাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে যাওয়া হবে।
চট্টগ্রাম নগর পুলিশের সহকারী কমিশনার (প্রসিকিউশন) নির্মলেন্দু বিকাশ চক্রবর্তী বলেন, আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদ করতে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বন্দর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জহির হোসেন ১০ দিন করে রিমান্ডের আবেদন করেন।
আসামিপক্ষের আইনজীবীরা রিমান্ড বাতিল ও জামিনের আবেদন করেন। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত পাঁচ আসামির পাঁচ দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন বলে জানান তিনি।
গত ২১ সেপ্টেম্বর বন্দর চত্বরে একটি কনটেইনার খুলে ২ কোটি ৭১ লাখ ৭৬ হাজার ৫০০ ভারতীয় রুপি জব্দ করেন শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা।
ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য দুবাই থেকে ১৬৫ কার্টন পণ্য আনেন চট্টগ্রামের হাটহাজারীর বাসিন্দা শাহেদুজ্জামান। এরমধ্যে চারটি কার্টন থেকে এসব ভারতীয় রুপি জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের সহকারি রাজস্ব কর্মকর্তা বিধান কুমার সরকার বাদী হয়ে ছয়জনকে আসামি করে বন্দর থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা করেন।
মামলার আসামিরা হলেন পণ্য খালাসকারী সিঅ্যান্ডএফ প্রতিষ্ঠান ফ্লাশ ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের চেয়ারম্যান আবু শাহাদাৎ মোহাম্মদ সায়েম ওরফে শামীম, ব্যবস্থাপনা পরিচালক আসাদ উল্লাহ, ব্যবসায়িক অংশীদার আহাম্মদ উল্লাহ তালুকদার, মো. ছাবের এবং পণ্যের চালানের আমদানিকারক শাহেদুজ্জামান ও তার ভাই তোহিদুল আলম। এর মধ্যে শাহেদুজ্জামান ছাড়া বাকি পাঁচ জনকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে।