আদালত

রিভিউ আবেদন মুজাহিদ-সাকার

মুজাহিদ-সাকার
মুজাহিদ-সাকার

মুক্তিযুদ্ধের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আপিল বিভাগের চূড়ান্ত রায় পুনর্বিবেচনার আবেদন করেছে ফাঁসির আসামি জামাত নেতা ও আল বদর কমান্ডার আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ ও বিএনপির সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী।

বুধবার রিভিউ আবেদনের জন্য নির্ধারিত ১৫ দিন সময় শেষ হওয়ার এক দিন আগে সুপ্রিম কোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় মুজাহিদের আবেদনটি জমা দেয় তার আইনজীবী শিশির মনির।

৩৮ পৃষ্ঠার মূল ‘রিভিউ’ আবেদনে রায় পুনর্বিবেচনার পক্ষে ৩২টি যুক্তি তুলে ধরা হয়েছে বলে জানান তিনি।

এদিকে, সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী-সাকা চৌধুরীর রিভিউ আবেদনটি জমা দেয় তার আইনজীবী হুজ্জাতুল ইসলাম খান আলফেসানী।

তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ১০৮ পৃষ্ঠার রিভিউ আবেদনে মূল দশটি যুক্তি তুলে ধরে ফাঁসির রায় পর্যালোচনা করে খালাস দেয়ার আর্জি জানানো হয়েছে।

নিয়মানুযায়ী রিভিউ নিষ্পত্তির আগে তাদের দণ্ড কার্যকর করা যাবে না—আর রিভিউ খারিজ হয়ে গেলে সেই রায়ের অনুলিপি কারাগারে যাবে এবং কারা কর্তৃপক্ষ সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আসামিদের ফাঁসি কার্যকর করবে।

আপিল বিভাগ গত ৩০ সেপ্টেম্বর জামাত নেতা মুজাহিদ ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর যুদ্ধাপরাধ মামলার চূড়ান্ত রায় প্রকাশ করলে পরদিন দুই আসামির বিরুদ্ধে মৃত্যু পরোয়ানা জারি করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

ওই দিনই কারা কর্তৃপক্ষ ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে মুজাহিদ এবং গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগারে সাকা চৌধুরীকে মৃত্যু পরোয়ানা পড়ে শোনায়, শুরু হয় রায় পুনর্বিবেচনার (রিভিউ) আবেদনের দিন গণনা।

গতকাল বিকেলে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে মুজাহিদের সঙ্গে দেখা করেন তার পাঁচ আইনজীবী শিশির মনির, মসিউল আলম, এহসান আব্দুল্লাহ সিদ্দিক, মতিউর রহমান আকন্দ ও আসাদ উদ্দিন।

পরে তার আইনজীবী শিশির মনির বলেন, আমরা বুধবার রিভিউ দায়ের করব। মুজাহিদ দুটি প্রশ্ন তুলছেন। একটি হচ্ছে ১৯৭১ সালে তার বয়স ছিল ২৩ বছর, তিনি ছিলেন ছাত্র। একজন ছাত্র কীভাবে একটি আধা সামরিক বাহিনীর কমান্ডার হন? আলবদর, রাজাকার ও শান্তিবাহিনীর কোনো কমিটির তালিকায় মুজাহিদের নাম নেই বলেছে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা।

তাহলে তিনি কীভাবে বদর বাহিনীর কমান্ডার হলেন? এছাড়া কে তাকে কমান্ডার হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে, কীভাবে নিয়োগ হলেন, এ বিষয়ে কোনো দালিলিক বা মৌখিক সাক্ষী রাষ্ট্রপক্ষ হাজির করতে পারেননি।

এর আগে গত ৩ অক্টোবর শিশির মনিরসহ পাঁচ আইনজীবী কারাগারে গিয়ে মুজাহিদের সঙ্গে দেখা করে এসে জানিয়েছিলেন, তাদের রিভিউ আবেদন করতে বলা হয়েছে।

এরপর স্ত্রী, তিন ছেলে ও মেয়ে গত ৯ অক্টোবর ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে গিয়ে মুজাহিদের সঙ্গে দেখা করে আসেন।

সালাউদ্দিন কাদেরের পরিবারের সদস্যরাও কাশিমপুর কারাগারে গিয়ে তার সঙ্গে দেখা করে এসেছেন।

দেশটিভি/আরসি
দেশ-বিদেশের সকল তাৎক্ষণিক সংবাদ, দেশ টিভির জনপ্রিয় সব নাটক ও অনুষ্ঠান দেখতে, সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল:

এছাড়াও রয়েছে

আল আমিনের তালাক: সন্তান নিয়ে আদালতে স্ত্রী

অস্ত্র মামলা: জি কে শামীমসহ ৮ জনের যাবজ্জীবন

আবেদন করলে খালেদা জিয়ার আবারো মুক্তির মেয়াদ বাড়বে: আইনমন্ত্রী

রুবেল-বরকতের অর্থপাচার মামলা ফের তদন্তের নির্দেশ আদালতের

জাহালমকে পাঁচ লাখ টাকা দিলো ব্র্যাক ব্যাংক

৮৫ নির্বাচন কর্মকর্তাকে চাকরিতে পুনর্বহালের আদেশ বাতিল

সরকারি কর্মচারীদের গ্রেপ্তারে পূর্বানুমতি বাতিলের রায় স্থগিত

ডেসটিনির চেয়ারম্যান হারুন-অর-রশিদের জামিন

সর্বশেষ খবর

স্টেট ব্যাংক অফ ইন্ডিয়ার নারী দিবস উদযাপন

শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ করলেন মোস্তাফিজুর রহমান

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘ইউল্যাব’ শিক্ষার্থীদের ফটোওয়াক

ভান্ডারিয়া ও মঠবাড়িয়ায় পৌর প্রশাসক নিয়োগ