আদালত

রাজন হত্যাকাণ্ড: দেশে আনা হলো কামরুলকে

শিশু রাজন
শিশু রাজন

সিলেটে শিশু শেখ সামিউল আলম রাজন হত্যা মামলার প্রধান আসামি সৌদি আরবে থাকা কামরুল ইসলামকে বৃহস্পতিবার দেশে ফিরিয়ে এনেছেন পুলিশের একটি দল।

এর আগে, ৯ম দিনের মতো এ মামলায় সাক্ষ্য দিয়েছেন ৬ পুলিশ কর্মকর্তা। বৃহস্পতিবার মহানগর দায়রা জজ আকবর হোসেন মৃধার আদালতে পূর্ব নির্ধারিত তারিখ অনুযায়ী শেষ দিনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে পুনরায় নতুন তারিখ ধার্য করবেন বলে জানা গেছে।

পুলিশ কর্মকর্তারা হলেন: সিলেট মহানগরীর জালালাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আখতার হোসেন, রাজন হত্যা মামলার প্রথম তদন্তকারী কর্মকর্তা একই থানার বরখাস্তকৃত (ওসি-তদন্ত) আলমগীর হোসেন, একই থানার এসআই আরিফুল আমিন, এসআই শামীম আকঞ্জি, এএসআই সোহেল রানা ও সুনামগঞ্জের দিরাই থানার উপ পরিদর্শক (এসআই) মহাদেব বাঁছাড়।

এর আগে গতকাল (বুধবার) দুপুর ১২টা থেকে গিয়াস মেম্বারসহ আরো ৪জনের সাক্ষ্যগ্রহণ নেয়া হয়। সিলেট মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক আকবর হোসেন মৃধা তাদের সাক্ষ্যগ্রহণ করেন।

আদালতে সাক্ষ্য প্রদানকারীরা হচ্ছে: শেখপাড়া এলাকার আলোচিত সেই গিয়াস মেম্বার, কুমারগাঁয়ের বাসিন্দা আফতাব উদ্দিন, আব্দুল করিম ও কুরবান আলী।

রাজনের বাবার নিযুক্ত আইনজীবী শওকত চৌধুরী জানান, আজ ৪ জনের সাক্ষ্যগ্রহণের মধ্যদিয়ে রাজন হত্যা মামলায় মোট ২১ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হলো।

তিনি জানান, আগামীকাল ১৪ অক্টোবরও এ মামলায় টানা সাক্ষ্যগ্রহণ করবে আদালত।

এদিকে, রাজনকে পিটিয়ে হত্যাকারী মূল ঘাতক কামরুল আসলামকে দেশে ফিরিয়ে আনতে সৌদি আরবে গেছেন তিন পুলিশ কর্মকর্তা।

আগামী ১৫ অক্টোবর কামরুলকে নিয়ে তাদের দেশে ফেরার কথা রয়েছে তাদের।

এর আগে রোববার দুপুরে সিলেটে শিশু শেখ সামিউল আলম রাজন হত্যা মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ হয়। সিলেট মহানগর দায়রা জজ আদালতে আটক সকল আসামির উপস্থিতিতে ৫ম দিনের মতো সাক্ষ্যগ্রহণ করেন আদালতের বিচারক আকবর হোসেন মৃধা।

শিশু রাজনের ৩ প্রতিবেশি ওইদিন সাক্ষ্য দেন। এ মামলার মোট ৩৮ জন সাক্ষীর মধ্যে এ পর্যন্ত ১৭ জন সাক্ষ্য প্রদান করেন।

উল্লেখ, গত ৮ জুলাই ভোরে ‘চোর’ সন্দেহে শিশু রাজনকে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। পৈচাশিক নির্যাতনের ভিডিওচিত্র ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেয় নির্যাতনকারীরা। প্রায় ২৮ মিনিটের সেই ভিডিও চিত্রটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তোলপাড় সৃষ্টি হয়। নিহত রাজন সদর উপজেলার কান্দিরগাঁও ইউনিয়নের বাদেআলী গ্রামের আজিজুল ইসলামের (আলম) ছেলে। হত্যাকাণ্ডের পর মহানগরীর জালালাবাদ থানার উপ পরিদর্শক (এসআই) বাদী হয়ে মুহিত আলমসহ অজ্ঞাত ৪/৫ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।

গত ১৬ আগস্ট সৌদি-আরবে আটক কামরুল ইসলামসহ ১৩ আসামিকে অভিযুক্ত করে আদালতে এ হত্যা মামলার চার্জশিট (অভিযোগপত্র) দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের ইন্সপেক্টর সুরঞ্জিত তালুকদার। এর আগে, মুহিত আলমসহ ৮ জন এ ঘটনায় আদালতে হত্যার দায় স্বীকার আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন।

গত ২৪ আগস্ট আদালত এ মামলার অভিযোগপত্র গ্রহণ করেন। গত ২৫ আগস্ট জালালাবাদ থানা পুলিশ ৩ পলাতক আসামির মালামাল ক্রোক করে থানায় নিয়ে যান।

দেশটিভি/টিআরটি
দেশ-বিদেশের সকল তাৎক্ষণিক সংবাদ, দেশ টিভির জনপ্রিয় সব নাটক ও অনুষ্ঠান দেখতে, সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল:

এছাড়াও রয়েছে

আল আমিনের তালাক: সন্তান নিয়ে আদালতে স্ত্রী

অস্ত্র মামলা: জি কে শামীমসহ ৮ জনের যাবজ্জীবন

আবেদন করলে খালেদা জিয়ার আবারো মুক্তির মেয়াদ বাড়বে: আইনমন্ত্রী

রুবেল-বরকতের অর্থপাচার মামলা ফের তদন্তের নির্দেশ আদালতের

জাহালমকে পাঁচ লাখ টাকা দিলো ব্র্যাক ব্যাংক

৮৫ নির্বাচন কর্মকর্তাকে চাকরিতে পুনর্বহালের আদেশ বাতিল

সরকারি কর্মচারীদের গ্রেপ্তারে পূর্বানুমতি বাতিলের রায় স্থগিত

ডেসটিনির চেয়ারম্যান হারুন-অর-রশিদের জামিন

সর্বশেষ খবর

স্টেট ব্যাংক অফ ইন্ডিয়ার নারী দিবস উদযাপন

শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ করলেন মোস্তাফিজুর রহমান

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘ইউল্যাব’ শিক্ষার্থীদের ফটোওয়াক

ভান্ডারিয়া ও মঠবাড়িয়ায় পৌর প্রশাসক নিয়োগ