পুলিশ কর্মকর্তা মাহফুজুর রহমান ও তার স্ত্রী স্বপ্না রহমান হত্যা মামলায় জড়িত মেয়ে ঐশী রহমানের ফাঁসির আদেশ দিয়েছে আদালত।
ঐশীর বন্ধু রনিকে ২ বছরের কারাদণ্ড ও জনিকে খালাস খালাস দেয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার বেলা ১২টার দিকে ঢাকার ৩ নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক সাঈদ আহমেদ এ রায় ঘোষণা করেন।
গত ৪ নভেম্বর আলোচিত এ হত্যা মামলায় দুই পক্ষের যুক্তিতর্কের শুনানি শেষে আজ রায়ের দিন ঠিক ছিল।
ঐশীর দুই বন্ধু জনি ও রনিকে হত্যাকাণ্ডে সহায়তাকারী হিসেবে এ মামলায় আসামি করা হয়। মামলার অন্য আসামি ঐশীদের বাসার শিশু গৃহকর্মী খাদিজা আক্তার সুমির শিশু আদালতে বিচার চলছে।
বিগত ২০১৩ সালের ১৬ আগস্ট রাজধানীর মালিবাগের চামেলীবাগে নিজেদের বাসায় পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চের পরিদর্শক মাহফুজুর রহমান ও তার স্ত্রী স্বপ্না রহমানের ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে তাদের একমাত্র মেয়ে ঐশী রহমান রমনা থানায় নিজে আত্মসমর্পণ করেন।
পুলিশের অভিযোগপত্রে বাবা-মাকে ঐশীই হত্যা করে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
গত ২০১৪ সালের ৯ মার্চ গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক মো. আবুয়াল খায়ের মাতুব্বর আদালতে অভিযোগপত্র দেন।
তবে মামলার বাদী মাহফুজের ভাই মশিউর রহমান বলেন, তার ভাতিজি এ হত্যাকাণ্ড ঘটাননি।
ঐশী স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিলেও পরে তা অস্বীকার করে বলেন, ভয় দেখিয়ে তার কাছ থেকে স্বীকারোক্তি নেয়া হয়েছে।