পুলিশ কর্মকর্তা মাহফুজুর রহমান ও তার স্ত্রী স্বপ্না রহমান হত্যার ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত ঐশী রহমানের রায় কার্যকরের অনুমতি চেয়ে আবেদনের (ডেথ রেফারেন্স) নথি হাইকোর্টে পৌঁছেছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে মামলার ডেথ রেফান্সের কপি হাইকোর্টে পৌঁছায়।
এর আগে ১২ নভেম্বর বৃহস্পতিবার বাবা-মাকে হত্যা মামলায় ঐশীকে ফাঁসির আদেশ দেয় আদালত। অপর দুই আসামি জনিকে খালাস এবং রনিকে ২ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। ঢাকার ৩ নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক সাঈদ আহমেদ এ রায় দেন।
গত ৪ নভেম্বর আলোচিত এ মামলায় দুই পক্ষের যুক্তিতর্কের শুনানি শেষে ১২ নভেম্বর রায়ের দিন ধার্য করা হয়।
ঐশীর দুই বন্ধু জনি ও রনিকে হত্যাকাণ্ডে সহায়তাকারী হিসেবে এ মামলায় আসামি করা হয়। মামলার অন্য আসামি ঐশীদের শিশু গৃহকর্মী খাদিজা আক্তার সুমির শিশু আদালতে বিচার চলছে।
বিগত ২০১৩ সালের ১৬ আগস্ট রাজধানীর মালিবাগের চামেলীবাগে নিজেদের বাসায় পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চের পরিদর্শক মাহফুজুর রহমান ও তার স্ত্রী স্বপ্না রহমানের ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে তাদের একমাত্র মেয়ে ঐশী রহমান রমনা থানায় নিজে আত্মসমর্পণ করেন।
পুলিশের অভিযোগপত্রে বাবা-মাকে ঐশীই হত্যা করে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
গত ২০১৪ সালের ৯ মার্চ গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক মো. আবুয়াল খায়ের মাতুব্বর আদালতে অভিযোগপত্র দেন।
তবে মামলার বাদী মাহফুজের ভাই মশিউর রহমান বলেন, তার ভাতিজি এ হত্যাকাণ্ড ঘটাননি।
ঐশী স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিলেও পরে তা অস্বীকার করে বলেন, ভয় দেখিয়ে তার কাছ থেকে স্বীকারোক্তি নেয়া হয়েছে।