আদালত

রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষার আবেদন

আনিসুল হক
আনিসুল হক
প্রাণভিক্ষা চেয়ে রাষ্ট্রপতির কাছে শনিবার আবেদন করেছেন মুক্তিযুদ্ধের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত বদর নেতা আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ ও বিএনপি নেতা সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী। রাতে রাজধানীর গুলশানে তার নিজ বাসভবনে সংবাদ সম্মেলন আইনমন্ত্রী বলেন, ‘প্রাণভিক্ষার আবেদনের ওপর আইনি মতামত চাওয়া হয়েছিল—এ আইনি তাদেরকে ক্ষমা করা যায় কিনা। এটা কেবল রুলস অব বিজনেসের ভেটিং অনুযায়ী আসতে হয়। সেই মতামত আমরা পাঠিয়ে দিয়েছি।’ ‘সেই মতামত সম্পর্কে জানতে চাইলে আইনমন্ত্রী বলেন, সেই মতামত মহামান্য রাষ্ট্রপতির কাছে পৌঁছানোর আগ পর্যন্ত এ মতামতটা ব্যক্ত করা ঠিক হবে না।’ এর আগে আইনমন্ত্রী বলেন, রাত ১০টার মধ্যেই রাষ্ট্রপতির সিদ্ধান্তটি কারাগারে পাঠানো হবে। প্রাণভিক্ষার আবেদনটি স্বরাস্ট্রমন্ত্রণালয় থেকে ভেটিঙের জন্য আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। প্রাণভিক্ষার আবদেনটি সব প্রক্রিয়া শেষে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো হয়েছে। এখন রাষ্ট্রপতির সিদ্ধান্তের উপরই নির্ভর করছে ফাঁসি কার্যকরের বিষয়টি বলে জানান তিনি। এর আগে সকালে ঢাকা জেলা প্রশাসনের দুই ম্যাজিস্ট্রেট খন্দকার মুশফিক রহমান ও তানভীর আহমেদ তাজিমের উপস্থিতিতে কারা কর্তৃপক্ষের সামনে নিজেদের অপরাধ স্বীকার করে আবেদন করেন এ দুই যুদ্ধাপরাধী। আবেদন দুটি বিভিন্ন প্রক্রিয়া শেষে এখন পাঠানো হয়েছে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির কাছে। রাতের মধ্যেই রাষ্ট্রপতির সিদ্ধান্ত কারা কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। এদিকে, ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার এলাকায় নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী। সকাল ১০টার দিকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের ভেতর প্রবেশ করেন ঢাকা জেলা প্রশাসনের দুই ম্যাজিস্ট্রেট খন্দকার মুশফিক রহমান ও তানভীর মোহাম্মদ আজিম। দুই যুদ্ধাপরাধী সাকা চৌধুরী এবং আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণ ভিক্ষা চাইবেন কিনা সেটি শেষবারের মতো জিজ্ঞাসা করতেই কারাগারে যান দুই ম্যাজিস্ট্রেট। দুপুর ১২টার দিকে সাকা চৌধুরীর দুই আইনজীবী কারাফটকের সামনে এসে তার সঙ্গে সাক্ষাতের আবেদন জানান। তবে সমস্ত আইনী প্রক্রিয়া শেষ হয়ে যাওয়ায় আইনজীবীদের সাক্ষাতের কোনো সুযোগ নেই বলে তাদেরকে জানিয়ে দেয় কারা কর্তৃপক্ষ। দুপুর দেড়টার দিকে কারাসূত্রের মাধ্যমে জানা যায় নিজেদের অপরাধের দায় স্বীকার করে লিখিতভাবে রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণ ভিক্ষা করেছেন সাকা ও মুজাহিদ। এরপর আড়াইটার দিকে দুজন ডেপুটি জেলার সর্বোত্তম দেওয়ান ও আরিফুল ইসলামকে একটি ফাইল নিয়ে বের হয়ে যেতে দেখা যায়। তারা ক্যামেরার সামনে কোনো কথা বলেননি। এরপর দুপুর সাড়ে ৩টার দিকে বেরিয়ে আসেন দুই ম্যাজিস্ট্রেট। তবে তারাও প্রাণভিক্ষার বিষয়ে গণমাধ্যমের সঙ্গে কোনো কথা বলেননি। এদিকে, কেন্দ্রীয় কারাগার এলাকায় কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী। পথচারীদের তল্লাশী করে কারাগার এলাকায় প্রবেশ করতে দেয়া হচ্ছে। বন্ধ করে দেয়া হয়েছে কারাগারের এক পাশের রাস্তা। রাস্তায় নামানো হয়েছে বিজিবি।
দেশটিভি/আরসি
দেশ-বিদেশের সকল তাৎক্ষণিক সংবাদ, দেশ টিভির জনপ্রিয় সব নাটক ও অনুষ্ঠান দেখতে, সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল:

এছাড়াও রয়েছে

আল আমিনের তালাক: সন্তান নিয়ে আদালতে স্ত্রী

অস্ত্র মামলা: জি কে শামীমসহ ৮ জনের যাবজ্জীবন

আবেদন করলে খালেদা জিয়ার আবারো মুক্তির মেয়াদ বাড়বে: আইনমন্ত্রী

রুবেল-বরকতের অর্থপাচার মামলা ফের তদন্তের নির্দেশ আদালতের

জাহালমকে পাঁচ লাখ টাকা দিলো ব্র্যাক ব্যাংক

৮৫ নির্বাচন কর্মকর্তাকে চাকরিতে পুনর্বহালের আদেশ বাতিল

সরকারি কর্মচারীদের গ্রেপ্তারে পূর্বানুমতি বাতিলের রায় স্থগিত

ডেসটিনির চেয়ারম্যান হারুন-অর-রশিদের জামিন

সর্বশেষ খবর

স্টেট ব্যাংক অফ ইন্ডিয়ার নারী দিবস উদযাপন

শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ করলেন মোস্তাফিজুর রহমান

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘ইউল্যাব’ শিক্ষার্থীদের ফটোওয়াক

ভান্ডারিয়া ও মঠবাড়িয়ায় পৌর প্রশাসক নিয়োগ