বগুড়ায় শিয়া মসজিদে হামলার ঘটনায় আটক ৪ জনের মধ্যে ৩ জনকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ। তাদের মধ্যে দুই জনের ৭ দিন ও একজনের ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত।
শনিবার বিকেলে বগুড়ার অতিরিক্ত মুখ্য বিচারিক হাকিম শ্যাম সুন্দর এ আদেশ দেন।
এদিকে, ঘটনা তদন্তে আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। অন্যদিকে সন্ত্রাসীদের হাত থেকে নিরাপত্তার দাবি জানিয়েছে হামলায় আহতরা।
বৃহস্পতিবার মাগরিবের নামাযের আগে স্থানীয়দের সঙ্গে মুসল্লির বেশে মসজিদের সদর দরজা দিয়েই ঢুকেছিল হামলাকারী অপরিচিত ওই তিন যুবক। আর নামায শেষ হওয়ার কিছুক্ষণ পর হঠাৎ শুরু হয় অতর্কিত গুলিবর্ষণ।
পেছন থেকে মুসল্লিদের ওপর গুলি করা হলে মুয়াজ্জিনসহ চারজন মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। আবার গুলি ছুঁড়তে ছুঁড়তেই বন্দুকধারী ওই তিনজন মসজিদের পেছন দিক দিয়ে পালিয়ে যায়। আইনশৃঙ্খলাবাহিনী এখনো বন্দুকধারীদের নাগাল পায়নি।
তবে ওই রাতেই অভিযান চালিয়ে ২ জনকে আটক করা হয় এবং শুক্রবার আটক করা হয় আরো ৪ জনকে।
এ ৬ জনের মধ্যে মোলামগাড়ি এমদাদুল উলুম মাদ্রাসার পরিচালক সামছুল আলম, মাদ্রাসা ছাত্র জুয়েল ও মাঝিহট্ট এলাকার আনোয়ার হোসেনকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে বগুড়ার জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হয়।
এদিকে, হরিপুর গ্রামটিতে এখনো থমথমে পরিবেশ বিরাজ করছে। এলাকাবাসীর আতঙ্ক কাটেনি। ওইদিনের হামলায় আহতরা নিজেদের নিরাপত্তা চেয়েছেন। তারা জানেন না কেন তাদের ওপর হামলা চালানো হলো। সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার করে তাদের বিচারের আওতায় আনার দাবি তাদের।