সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এএমএস কিবরিয়া হত্যা মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ আবারো পিছিয়েছে আদালত।
সিলেট দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মকবুল আহসানের আদালতে বুধবার ছিল এ মামলার সাক্ষ্যগ্রহণের ত্রয়োদশ দিন।
কখনো আসামি আবার কখনও সাক্ষীর অনুপস্থিতির কারণে এ নিয়ে আট বার পেছালো এ মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ।
পিপি কিশোর কুমার কর জানান, আদালত বৃহস্পতিবার মামলার পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ঠিক করেছে।
তিনি জানান, গ্রেপ্তার ১৪ আসামির মধ্যে হবিগঞ্জের বরখাস্ত মেয়র জিকে গৌছসহ ৫ জনকে আদালতে হাজির করা হয়। অসুস্থ ও অন্য মামলায় হাজিরা থাকায় বাকিদের হাজির করা হয়নি।
আসামি হাজির না থাকায় সাক্ষীদেরও হাজির করা হয়নি বলে জানান তিনি।
গত ৩০ সেপ্টেম্বর এ মামলায় প্রথম সাক্ষ্য দেন মামলার বাদী হবিগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য ও হবিগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মজিদ খান। সেদিন শুরু হয়ে এ পর্যন্ত ১০ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন। নির্ধারিত ১৩টি তারিখের মধ্যে সাক্ষ্যগ্রহণ হয় পাঁচ দিন।
আলোচিত এ মামলায় ১৭১ জনের সাক্ষ্য দেওয়ার কথা রয়েছে।
বিগত ২০০৫ সালের ২৭ জানুয়ারি হবিগঞ্জের বৈদ্যের বাজারে জনসভায় গ্রেনেড হামলায় আওয়ামী লীগ নেতা শাহ এএমএস কিবরিয়াসহ পাঁচজন নিহত হন। ১৯৯৬-২০০১ মেয়াদে আওয়ামী লীগ সরকারের সময় অর্থমন্ত্রী ছিলেন কিবরিয়া।
হবিগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুল মজিদ খান ওই রাতেই হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে দুটি মামলা দায়ের করেন।
তিন দফা তদস্তের পর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির সিলেট অঞ্চলের সহকারী পুলিশ সুপার মেহেরুন নেছা পারুল ২০১৪ সালের ২১ ডিসেম্বর সিলেট সিটি করপোরেশনের সাময়িক বরখাস্ত মেয়র আরিফুল হক, হবিগঞ্জ পৌরসভার সাময়িক বরখাস্ত মেয়র জিকে গউছ এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরীসহ ১১ জনের নাম যোগ করে মোট ৩২ জনের বিরুদ্ধে সম্পূরক অভিযোগপত্র দেন।
হবিগঞ্জের জেলা ও দায়রা জজ গত ১১ জুন মামলাটি সিলেট দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে পাঠানোর আদেশ দেন।